প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্যয় তিনগুণ বাড়ানো হলেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ

ডেস্ক রিপোর্ট: [২] ‘চিটাগাং সিটি আউটার রিং রোড’ ৮৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প বাড়িয়ে করা হয় দুই হাজার ৪২৬ কোটি টাকা। জিওবি ও জাইকার অর্থায়নে ১৫.২০ কিলোমিটার রাস্তা শেষ করার কথা চলতি বছরের জুনে। কিন্তু উচ্চ অগ্রাধিকারে থাকা প্রকল্পটির বিদায়ী অর্থবছরের শেষ কিস্তি বরাদ্দ মেলেনি। এতে বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।

[৩] আর প্রকল্পের মূল কাজের ৯২ শতাংশ অগ্রগতি দেখানো হলেও এখনও শুরু হয়নি শাখা (ফিডার) রোডের কাজ। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা সমস্যা থাকায় আবারও বাড়াতে হয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। এতে আরেক দফা বাড়তে পারে প্রকল্পের ব্যয়।

[৪] জানা গেছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) বাস্তবায়নাধীন কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষা নগরীর পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত ১৭.৩৫ কিলোমিটার (ফিডার রোডসহ) চার লেনের সড়ক কাম বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটির মেয়াদকাল ২০১১ থেকে ২০১৯ ধরা হলেও কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে; যা পরবর্তী সময়ে মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন মাস শেষ করার কথা ছিল।

[৫] কিন্তু একাধিক জটিলতায় সে মেয়াদে কাজ শেষ করতে পারেনি সিডিএ। এদিকে বিদায়ী অর্থবছরের শেষ বরাদ্দের কিস্তির না পাওয়ায় আবারও কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তাতে আরও এক বছরের জন্য বাড়াতে হয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ।

[৬] সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পের মূল সড়কের কাজ প্রায় শেষ হলেও শুরু হয়নি শাখা রোডের কাজ। আর সাগরিকা বিভাগীয় স্টেডিয়াম এলাকায় ফ্লাইওভার নির্মাণের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

[৭] জানা যায়, ভূমিসংক্রান্ত জটিলতায় ফিডার (শাখা) সড়ক নির্মাণকাজও শুরু হয়নি। সর্বশেষ চলতি বছরের জুনে দুই হাজার ৪২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে মেলেনি সর্বশেষ বরাদ্দের টাকা। এতে করে প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি দেখানো হয়েছে ৮৬ দশমিক ০৪ শতাংশ, ভৌত অগ্রগতি ৯২ শতাংশ।

[৮] প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ‘আউটার রিং রোডের সার্বিক অগ্রগতি ৯২ শতাংশ। গত জুনের ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। যার কারণে কাজ এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না। প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরে প্রথম কিস্তি পাওয়া গেছে, দ্বিতীয় কিস্তি ৩০ কোটি টাকার জন্য আবেদন করা হয়েছে। প্রকল্পের বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে আউটার রিং রোড যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

[৯] বন্দর ও শিল্প কারখানা এবং বিমানবন্দরগামী যানবাহন দ্রুত চলাচল করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৫ সালে এ বেড়িবাঁধ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। সাগরের পাড়ঘেঁষা এ প্রকল্পটি পতেঙ্গায় নির্মাণাধীন দেশের প্রথম টানেলের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতির লাইফ লাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংযোগ তৈরি করবে।

[১০] একই সঙ্গে উপকূলীয় এই বাঁধ বন্যা ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস থেকে বন্দরনগরী, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইপিজেডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষা করবে। ২০১৬ সালে কাজ শুরু হওয়া এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৮৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দু’বার সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় দুই হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় এক হাজার ৭২০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও জাইকার সহায়তা ৭০৬ কোটি টাকা। শেয়ার বিজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত