প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]‘ইসলামী বিচ্ছিন্নতাবাদ’ দমনে ম্যাক্রোঁর আইন প্রণয়নের প্রস্তাবে ক্ষুদ্ধ মুসলিম অধিকার কর্মীরা

লিহান লিমা: [২] ফ্রান্সে ‘ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ’ রক্ষা ও ‘ইসলামী বিচ্ছিন্নতাবাদ’ এর ক্রমবর্ধমান সমস্যা মোকাবেলায় কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘চরম কঠোর অবস্থানের কারণে পুরো বিশ্বেই সংকটের মুখে রয়েছে ইসলাম ধর্ম। ফ্রান্সে ইসলামকে অবশ্যই বিদেশী শক্তি থেকে মুক্ত রাখতে হবে।’ ফ্রান্স২৪/আল জাজিরা

[৩] আগামী ডিসেম্বরে ফ্রান্সের সরকার ধর্মনিরপেক্ষতাকে শক্তিশালী করতে একটি খসড়া আইন পেশ করবে। এই আইনে মসজিদগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা হবে এবং ইমামদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।

[৪] ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘নতুন আইনের অর্থ এই নয় যে মুসলমানদের প্রতি কোনও বিশেষ নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতা হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ ফ্রান্সের সিমেন্ট। সবাইকে তাদের ধর্ম বিশ্বাস বেছে নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে স্কুল বা সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় কোনো চিহ্ন বহনের ক্ষেত্রে নিষেধ করা হয়েছে।’

[৫] ম্যাক্রোঁর এই মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন মুসলিম অধিকার কর্মীরা। তারা ম্যাক্রোঁর বিরুদ্ধে ইসলাম দমনের অভিযোগ করেছেন।

[৬] ফ্রান্সের মুসলিম অধিকার কর্মী ইয়াসের লোয়াটি টুইটারে লিখেছেন, ‘ম্যাক্রোঁ ধর্মনিরপেক্ষতাকে কবর দিয়ে কট্টরপন্থী, মুসলিমবিরোধী বামপন্থীদের উস্কে দিয়েছেন এবং ফ্রান্সে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জীবনকেও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন। মুসলিমদের হুমকি হিসেবে বিবেচনার বিষয়টি প্রতিশ্রুতিতে পরিণত হয়েছে।’ সারাহ আলাওনি নামে ফ্রান্সের এক শিক্ষাবিদ টুইটে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ইসলামকে সারা বিশ্বে সংকটময় হিসেবে দেখিয়েছেন। এই মন্তব্যটি এতটাই মূর্খের মতো যে এর জন্য কোনো ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন নেই।’

[৭] ফ্রান্সের মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ লাখ মানুষ মুসলিম। এ বছরের শুরুতে ম্যাক্রোঁ দেশটিতে বিদেশী ইমামদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। ফ্রান্সের স্কুল ও সরকারী প্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত