প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেড় বছর ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে গেলেন রীভা গাঙ্গুলি দাশ

তরিকুল ইসলাম : [২] শুক্রবার বিকেলে ঢাকা ত্যাগ করেন বাংলাভাষী বিদেশি এ কূটনীতিক। ফিরে যাওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সচিবসহ সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। মিলিত হন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক-সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে।

[৩] ঢাকায় হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালনের আগে তিনি ভারতীয় হাইকমিশনের সাংস্কৃতিক বিভাগেরও দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ১ মার্চ হাইকমিশনার হিসেবে ঢাকায় আসা রীভা গাঙ্গুলি এবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব বিভাগের সচিব হিসেবে যোগ দিচ্ছেন।

[৪] সম্প্রতি এক নৈশ ভোজে কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, এখানে কেউ এলে গভীর সম্পর্ক হয়ে যায়। বাংলাদেশে এলে যে বন্ধুত্ব ও আতিথেয়তা পাই, পৃথিবীর কোনও জায়গায় আমরা সেটা পাই না।

[৫] এখান থেকে ফিরে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) হিসেবে যোগ দেওয়াটা আমার জন্য সৌভাগ্যের। আপনাদের মিস করবো।

[৬] তিনি বলেন, কেভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য কোথাও যাওয়া-আসায় অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। তারপরেও আমরা আমাদের কাজ চালিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে যথেষ্ঠ অগ্রগতি ছিলো। মুজিববর্ষ নিয়ে আমরা খুব এক্সাইটেড ছিলাম। কারণ মুজিববর্ষে আমরা অনেক কিছু একসঙ্গে করতে চেয়েছিলাম। মহামারির কারনে সীমিতভাবে পালন করেছি।

[৭] ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। বাংলাদেশের সংস্কৃতি-ইতিহাস তার খুব ভালো করেই জানা ছিলো। সে কারণে ঢাকায় দায়িত্ব পালন করাও তার জন্য ছিলো অনেকটাই সহজ।

[৮] রীভা গাঙ্গুলির সময়ে করোনাকালে ভারত থেকে প্রথমবারের মতো পার্সেল ট্রেন বাংলাদেশে আসে। একইসঙ্গে কলকাতা থেকে প্রথমবারের মতো ভারতীয় পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আসাম ও ত্রিপুরায় যায়। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগে এটা ছিল মাইলফলক।

[৯] রীভা গাঙ্গুলি দাশ ঢাকায় আসার আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কাউন্সিলের (আইসিসিআর) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

[১০] এদিকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে ইতোমধ্যেই বিক্রম দোরাইস্বামীর নাম ঘোষণা করেছে দেশটি। তিনি আগামী ৫ অক্টোবর ঢাকায় এসে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ৮ অক্টোবর তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন।

[১১] বিক্রম দোরাইস্বামী ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ভারতের পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৯৯২ ব্যাচের কর্মকর্তা।

[১২] বিক্রম দোরাইস্বামী জন্ম ভারতের তামিলনাড়ুতে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বিক্রম দোরাইস্বামীর বাবা বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মিত্রবাহিনীর পাশাপাশি থেকে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধ করেছেন। তিনি কিছু সময় সাংবাদিকতাও করেছেন। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত