প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অনেক অভিভাবক অনুরোধ করেছেন ঝুলন্ত তার না কাটতে: মেয়র আতিক

সুজিৎ নন্দী: [২] ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আতিকুল ইসলাম বলেছেন, তারের জঞ্জাল আজ থেকে ১০ বছর আগে যে অবস্থায় ছিল, এখনও একই অবস্থা আছে। কিন্তু এই শহরকে এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। মনে হচ্ছে ঝুলন্ত তার মানেই ঢাকা শহর, ঢাকার আসল চিত্র।

[৩] মেয়র বলেন, আমরা ন্যাশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর সঙ্গে সাতবার সভা করেছি।

[৫] সবাইকে নিয়ে সিরিজ অব মিটিং করেছি সমস্যাটি সমাধানের জন্য। একটি কথা জানাতে চাই, যখনই আমরা মিটিং করেছি, এনটিটিএন, আইএসপিএবি, কোয়াবের সঙ্গে, মনে হয়েছে একজনের সঙ্গে আরেকজনের শত্রুতা। আইএসপিএবি দোষ দেয় এনটিটিএনকে, এনটিটিএন দোষ দেয় কোয়াবকে।

[৬] অবৈধ ঝুলন্ত তার অপসারণ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। বৃহস্পতিবার গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউতে ঝুলন্ত তার অপসারণের মাধ্যমে (পাকিস্তান অ্যাম্বেসি থেকে শুটিং ক্লাব পর্যন্ত) এ কাজের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

[৭] অপসারণকালে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এই মুহুর্তে আপনারা জানেন, দেশে কোভিড চলছে, স্কুলের বাচ্চারা বাসায় বসে অনলাইনে এবং টেলিভিশনে পড়াশোনা করছে। অনেকে বাসায় বসে অনলাইনে কাজ করছেন, জীবিকা নির্বাহ করছেন, সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশটা অন্যরকম।

[৮] তিনি বলেন, গুলশান অ্যাভিনিউতে টোটাল ৯টি মোড় আছে। এই ৯টি মোড়ের তার, তাদের অনুরোধে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হলো। সাত দিনের মধ্যে ক্রসিংয়ের তারগুলোও কেটে দেবে। আমরা চাচ্ছি, এটি টেকসই করার জন্য।

[৯] তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে এনটিটিএন কাজ করছে না। আমি মনে করি, এটি এনটিটিএন এর ব্যর্থতা। তারা ১০ বছর হলো লাইসেন্স নিয়ছে, তারা কেন মাটির নিচ দিয়ে লাইন নেয়নি। তাদের সঙ্গে মিটিং করে আমাদের রাস্তার পাশে যেসব ড্রেন আছে এগুলোর নিচ দিয়ে পাইপ বসিয়ে দেবো বলেছি। উনারা রাজি হয়েছে। এর বাবদ ডিএনসিসিকে তারা ভাড়া দেবে।

[১০] আমি ইতোমধ্যে প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি, আমাদের যত নতুন রাস্তা হবে, সেই রাস্তাগুলোর নিচ দিয়ে লাইন নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা রাখা হবে।

[১১] মেয়র শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আজ যদি ঢাকা শহরের তার পুরোটা কেটে দিই, তাহলে ঢাকা শহর কলাপ্স হয়ে যাবে। আমাদের বাচ্চাদের পড়াশোনা হবে না। আমি বিশ্বাস করি, আমরা যেভাবে অভিযান পরিচালনা করছি, আগামী এক বছরের মধ্যে ডিএনসিসির সম্পূর্ণ এলাকার তার নামিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। এটা আমাদের নামাতেই হবে।

[১২] ঝুলন্ত তার অপসারণকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, সচিব মোজাম্মেল হক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, কোয়াব এর সভাপতি এস এম আনোয়ার কবির, আইএসপিএবি এর সভাপতি আমিনুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত