শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০২:০৬ রাত
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০২:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন গণধর্ষণে জড়িত ছাত্রলীগের দুই কর্মী

জেরিন আহমেদ : [২] সিলেট এমসি কলেজের গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের পুলিশ খুঁজে না পেলেও ফেসবুকে সরব ছিলো জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শনিবার সকালেও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন মামলার দুই আসামি।

[৩] মামলার অন্যতম আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুমের পক্ষে সাফাই গেয়ে হুমায়ুন রশিদ পায়েল নামের একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এমসি কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় ছোট ভাই মাহফুজুর রহমান মাসুম এমসিতে ছিল না, সে জাফলং ছিল তার বন্ধুদের সঙ্গে। সেখানের লাইভ ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে রয়েছে। সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ, মনগড়া নিউজ করে একজন মেধাবী ছাত্রের জীবন নষ্ট করে দেবেন না।’ সূত্র: ফেসবুক থেকে

[৪] একই মামলার আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুম নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এরকম জঘন্য কাজের সঙ্গে আমি জড়িত নই। যদি জড়িত প্রমাণ পান প্রকাশ্যে আমাকে মেরে ফেলবেন। একমাত্র আল্লাহর ওপর বিশ্বাস আছে। আল্লাহ আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করবেন। তবে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগে আমাকে সুইসাইডের দিকে নিয়ে যাওয়া আপনাদের বিচার আল্লাহ করবেন।’

[৫] গণধর্ষণের মামলার আরেক আসামি রবিউল হাসান শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘সম্মানিত সচেতন নাগরিকবৃন্দ আমি রবিউল হাসান। আমি এমসি কলেজের শিক্ষার্থী। আপনারা অনেকে চেনেন, আমি কেমন মানুষ তা হয়তো অনেকে জানেন। শুক্রবার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের সঙ্গে কে-বা কারা আমাকে জড়িয়ে সংবাদ করিয়েছেন জানি না। আমি এমসি কলেজের ছাত্র। কিন্তু আমি হোস্টেলে কখনও ছিলাম না, আমি বাসায় থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।’

[৬] ফেসবুকে সরব থাকার পরও আসামিদের গ্রেফতার করতে না পারা প্রসঙ্গে শাহপরান থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমরা তাদের গ্রেফতারে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে।

[৭] উল্লেখ্য,  শুক্রবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। সন্ধ্যায় তাদের কলেজ থেকে ছাত্রাবাসে ধরে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের ৬-৭ জন নেতাকর্মী। এরপর দুইজনকে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে স্বামীকে আটকে রেখে তার সামনে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে রাতে ছাত্রাবাস থেকে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এসময় এ ঘটনায় জড়িত এক ছাত্রলীগ নেতার কক্ষ থেকে পাইপগান, চারটি রামদা, দুটি চাপাতি ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

[১০] এ ঘটনায় শনিবার সকালে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত দু-তিনজনের বিরুদ্ধে শাহপরান থানায় মামলা করেন নির্যাতিত গৃহবধূর স্বামী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়