প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বড়শি দিয়ে কাতল ধরে পুরস্কার পেলো ২ লাখ টাকা

তৌহিদুর রহমান : [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সদরের বড় দেওয়ানপাড়ার দেওয়ান দিঘিতে শুক্রবার দিনভর বড়শি দিয়ে শৌখিন মৎস্যশিকারিদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগিতায় এক শৌখিন মৎস্যশিকারি সাড়ে চার কেজি ওজনের কাতল ধরে পেয়েছেন দুই লাখ টাকা।

[৩] দেওয়ান দিঘিতে মৎস্য চাষ সমিতি নামের একটি সংগঠন এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। সরেজমিনে ও আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৪০ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও হবিগঞ্জ, নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে প্রতিযোগীরা আসেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রত্যেককে ১৭ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিযোগীদের জন্য ছিল ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা মূল্যের ৭টি পুরস্কার। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের মেড্ডা এলাকার কাজল মিয়া ৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে প্রথম হয়েছেন। তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন দুই লাখ টাকা। একই এলাকার আবুল কাশেম ৪ কেজি ২০৫ গ্রাম ও ৩ কেজি ৯৯৫ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন। তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিকেলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা দেখতে দিঘির চারদিকে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটে।

[৪] দেওয়ান দিঘি মৎস্য চাষ সমিতির সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন ঠাকুর বলেন, ‘প্রতিবছর পাঁচ-ছয়বার এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হতো। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শৌখিন মৎস্যশিকারিরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার এমনটা সম্ভব হয়ন

[৫] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সদরের বড় দেওয়ানপাড়ার দেওয়ান দিঘিতে শুক্রবার দিনভর বড়শি দিয়ে শৌখিন মৎস্যশিকারিদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগিতায় এক শৌখিন মৎস্যশিকারি সাড়ে চার কেজি ওজনের কাতল ধরে পেয়েছেন দুই লাখ টাকা। দেওয়ান দিঘিতে মৎস্য চাষ সমিতি নামের একটি সংগঠন এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

[৬] সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বিকেল পৌনে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ৪০ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি অংশ নেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও হবিগঞ্জ, নরসিংদী, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে প্রতিযোগীরা আসেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রত্যেককে ১৭ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিযোগীদের জন্য ছিল ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা মূল্যের ৭টি পুরস্কার। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের মেড্ডা এলাকার কাজল মিয়া ৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে প্রথম হয়েছেন। তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন দুই লাখ টাকা। একই এলাকার আবুল কাশেম ৪ কেজি ২০৫ গ্রাম ও ৩ কেজি ৯৯৫ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন। তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিকেলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা দেখতে দিঘির চারদিকে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত