শিরোনাম
◈ লিফটের ফাঁকা স্থানে শিশুর মরদেহ, বিচার চেয়ে হাতিরঝিল থানা ঘেরাও ◈ গ্যাসে স্টেশনে লিকেজ: কক্সবাজারে বিস্ফোরণে আহত ১৫, এলাকায় সতর্কতা (ভিডিও) ◈ সৌদি থেকে নারী ফিরলেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে, অন্যজন মানসিক ভারসাম্যহীন ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ১৩ আগস্ট ◈ রাষ্ট্রপতিকে সংসদের প্রথম অধিবেশনে অভিসংশন করতে হবে, এরপর গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম ◈ পাসপোর্টের 'দালাল' নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তে সমালোচনা কেন ◈ দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার ◈ ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী যারা ◈ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এবার পাঁচ কর্মকর্তা বদলি ◈ দেশে আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জেলখানা, নাকি চিড়িয়াখানা?

ডেস্ক রিপোর্ট : এল সালভাদরের অপরাধী গ্যাংদের জন্য এমন এক জেলখানা রয়েছে যেখানে গেলে প্রথমেই মনে হয় এটা জেলখানা নাকি চিড়িয়াখানা। কয়েদিরা সেখানে এমনভাবে বন্দি আছে যেন দেখলেই মনে হয় এটা কখনোই বন্দিশালা নয়।

ডয়লে ভেচে জানিয়েছে, এমন দু’টি জেলখানা পরিদর্শনের সুযোগ মিলেছে গণমাধ্যমগুলোর। বন্দিদের সঙ্গে সরকারের নানা আলোচনা ও শর্তের বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমগুলোকে সেখানে যেতে দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই জেলখানা বিবাদমান দুই গ্যাংয়ের সদস্যদের রাখা হয়েছে। ‘বারিও এইটিন’ আর ‘এমএস থার্টিন’ নামে পরিচিত তারা। দুই দলের সদস্যদের দু’টি জেলখানায় একসঙ্গে রাখা হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীরা যখন সেখানে পরিদর্শন করে তখন তাদের কারও শরীরে জামা দেখতে পাননি। অধিকাংশই অন্তর্বাস পরিহিত ছিলেন। যদিও করোনার কারণে মাস্ক ছিল তাদের মুখে। কিন্তু রাখা হয়েছে গাদাগাদি করে।

২৬০০ গ্যাং সদস্যের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনের বা বাইরের কারো সঙ্গে দীর্ঘ সময় দেখার সুযোগ পাননি। তাদের অসুস্থতাকালীন বা স্বাভাবিক চাহিদাগুলোর কোনোটিই সেখানে পূরণ করা হয় না।

দেশটির সরকারি হিসাবে দেশটিতে অপরাধী গ্যাংয়ের সদস্য প্রায় ৭০ হাজারের মত। এর মধ্যে এখন ১৭ হাজার বন্দি রয়েছেন বিভিন্ন কারাগারে। পূর্বপশ্চিম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়