শিরোনাম
◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর ◈ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব ◈ ঢাকাসহ ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জেলখানা, নাকি চিড়িয়াখানা?

ডেস্ক রিপোর্ট : এল সালভাদরের অপরাধী গ্যাংদের জন্য এমন এক জেলখানা রয়েছে যেখানে গেলে প্রথমেই মনে হয় এটা জেলখানা নাকি চিড়িয়াখানা। কয়েদিরা সেখানে এমনভাবে বন্দি আছে যেন দেখলেই মনে হয় এটা কখনোই বন্দিশালা নয়।

ডয়লে ভেচে জানিয়েছে, এমন দু’টি জেলখানা পরিদর্শনের সুযোগ মিলেছে গণমাধ্যমগুলোর। বন্দিদের সঙ্গে সরকারের নানা আলোচনা ও শর্তের বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমগুলোকে সেখানে যেতে দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই জেলখানা বিবাদমান দুই গ্যাংয়ের সদস্যদের রাখা হয়েছে। ‘বারিও এইটিন’ আর ‘এমএস থার্টিন’ নামে পরিচিত তারা। দুই দলের সদস্যদের দু’টি জেলখানায় একসঙ্গে রাখা হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীরা যখন সেখানে পরিদর্শন করে তখন তাদের কারও শরীরে জামা দেখতে পাননি। অধিকাংশই অন্তর্বাস পরিহিত ছিলেন। যদিও করোনার কারণে মাস্ক ছিল তাদের মুখে। কিন্তু রাখা হয়েছে গাদাগাদি করে।

২৬০০ গ্যাং সদস্যের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনের বা বাইরের কারো সঙ্গে দীর্ঘ সময় দেখার সুযোগ পাননি। তাদের অসুস্থতাকালীন বা স্বাভাবিক চাহিদাগুলোর কোনোটিই সেখানে পূরণ করা হয় না।

দেশটির সরকারি হিসাবে দেশটিতে অপরাধী গ্যাংয়ের সদস্য প্রায় ৭০ হাজারের মত। এর মধ্যে এখন ১৭ হাজার বন্দি রয়েছেন বিভিন্ন কারাগারে। পূর্বপশ্চিম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়