শিরোনাম
◈ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন তুরস্কের ◈ জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে নৌবাহিনী: আইএসপিআর ◈ সংসদে উত্তেজনার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে ইনকিলাব মঞ্চের হুঁশিয়ারি ◈ ঈদে নিরাপত্তায় পুলিশের পরামর্শ ◈ ওয়াকআউটের অধিকার তাদের আছে, তবে প্ল্যাকার্ড না দেখালেও পারতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে পাকিস্তানের পরাজ‌য়ে ক্ষে‌পে‌ছেন বা‌সিত আ‌লি, বল‌লেন গেম প্ল্যানকারীকে গুলি করা উচিত ◈ মির্জা আব্বাসসহ ৫ জন সংসদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত ◈ সংসদে সাউন্ড সিস্টেমে বিপর্যয়, অধিবেশন ২০ মিনিট বিরতি ◈ সংসদ যেন কোনো ব্যক্তির চরিত্র হননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়: ডাঃ শফিকুর ◈ রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১৩

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জেলখানা, নাকি চিড়িয়াখানা?

ডেস্ক রিপোর্ট : এল সালভাদরের অপরাধী গ্যাংদের জন্য এমন এক জেলখানা রয়েছে যেখানে গেলে প্রথমেই মনে হয় এটা জেলখানা নাকি চিড়িয়াখানা। কয়েদিরা সেখানে এমনভাবে বন্দি আছে যেন দেখলেই মনে হয় এটা কখনোই বন্দিশালা নয়।

ডয়লে ভেচে জানিয়েছে, এমন দু’টি জেলখানা পরিদর্শনের সুযোগ মিলেছে গণমাধ্যমগুলোর। বন্দিদের সঙ্গে সরকারের নানা আলোচনা ও শর্তের বিনিময়ে সংবাদমাধ্যমগুলোকে সেখানে যেতে দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই জেলখানা বিবাদমান দুই গ্যাংয়ের সদস্যদের রাখা হয়েছে। ‘বারিও এইটিন’ আর ‘এমএস থার্টিন’ নামে পরিচিত তারা। দুই দলের সদস্যদের দু’টি জেলখানায় একসঙ্গে রাখা হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীরা যখন সেখানে পরিদর্শন করে তখন তাদের কারও শরীরে জামা দেখতে পাননি। অধিকাংশই অন্তর্বাস পরিহিত ছিলেন। যদিও করোনার কারণে মাস্ক ছিল তাদের মুখে। কিন্তু রাখা হয়েছে গাদাগাদি করে।

২৬০০ গ্যাং সদস্যের একজন বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনের বা বাইরের কারো সঙ্গে দীর্ঘ সময় দেখার সুযোগ পাননি। তাদের অসুস্থতাকালীন বা স্বাভাবিক চাহিদাগুলোর কোনোটিই সেখানে পূরণ করা হয় না।

দেশটির সরকারি হিসাবে দেশটিতে অপরাধী গ্যাংয়ের সদস্য প্রায় ৭০ হাজারের মত। এর মধ্যে এখন ১৭ হাজার বন্দি রয়েছেন বিভিন্ন কারাগারে। পূর্বপশ্চিম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়