প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৭ দিনেও খোঁজ মেলেনি সেই কয়েদি সিদ্দিকের

ইসমাঈল ইমু: [২] তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আবাদ চন্ডিপুর এলাকার তেছের আলী গাইনের ছেলে। তার কয়েদি নং- ৭৯৩৪/এ। গত ৬ আগস্ট কারাগার-২ থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ওই কয়েদি।

[৩] কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের হত্যা মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিককে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এক পর্যায়ে তাকে ২০১১ সালের ১৫ জুন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২/ এ পাঠানো হয়।

[৪] পরে হাইকোর্টের আদেশে জেল আপিলে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ সংশোধন হয়ে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয় আবু বক্কর ছিদ্দিক। গত ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় তালাবদ্ধের সময় কারাগারে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কারা কর্তৃপক্ষের ধারণা ওই দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে সে কারাগার থেকে সুকৌশলে পালিয়ে যায়। কয়েদি আবু বক্কর ছিদ্দিক ওই কারাগারে ব্রহ্মপুত্র বিল্ডিংয়ের ২নং কক্ষে থাকতো।

[৫] এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়া এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলায় ৭ কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৫ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। গত ৮ আগস্ট সকালে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কারাগারে এসে তদন্ত কাজ শুরু করেন। পরে তদন্ত কমিটিতে আরো দুই সদস্য বাড়িয়ে ৫ সদস্যের এ কমিটি করা হয়।

[৬] এঘটনায় গত ৭ আগস্ট কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার মুহাম্মদ বাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে কোনাবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন। পলাতক কয়েদি আবু বক্কর সিদ্দিকের খোঁজে তার গ্রামের বাড়িতে যায় কারা কর্মকর্তারা।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত