শিরোনাম
◈ ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ: ৪৭% মানুষের মতে তারেক রহমানই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ ◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদ কী, সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক কেন? ◈ হুমকি, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরতি নিচ্ছেন মেঘনা আলম ◈ রাজধানী থেকে অপহৃত ৩ বছরের শিশুকে ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার, মূল হোতা গ্রেপ্তার ◈ ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনে নিষিদ্ধ, হাসিনা পলাতক, আওয়ামী লীগ কি টিকবে?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ আল্লাহ সুযোগ দিলে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে চাই—তারেক রহমান ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির কোচ পেপ গা‌র্দিওলা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের ‘কাপুরুষ’ বললেন  ◈ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ–কয়লার দাম নিয়ে বিরোধ: ব্রিটিশ আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪০ রাত
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোল্লা আমজাদ হোসেন: প্রতিকুল সময়ের প্রতিবাদী মানুষের চির বিদায়

মোল্লা আমজাদ হোসেন:  সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষের জন্য সময়টা ছিল খুবই প্রতিকূল। বিশেষ করে ৭৫ পরবর্তি সময়কালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে পুনর্গঠন করে কাজ শুরু করা ছিল আরো বড় চ্যালেঞ্জের কাজ। সেই সময়কালে প্রয়াত বিচারপতি বজলুর রহমান ছানা ভাই, বাগেরহাট থেকে নিবাচিত সংসদ সদস্য এড আমিরুল আলম মিলনভাই, জাহাঙ্গীর কবির রানা ভাইয়ের নেতৃত্বে যারা এগিয়ে এসেছিলেন তাদের অগ্রভাগে ছিলেন দুই বন্ধু রুমি ভাই (দুদক থেকে অবসরে যাওয়া) ও দুলাল ভাই। আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক দুলাল, ১৯৮০ সালে নির্বাচনে বিজয়ী রাকসু নেতা ও সাবেক আইন সচিব। অতিমারী করোনার সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে গতরাতে চির বিদায় নিয়েছেন। একজন সাহসী মানুষ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক দুলাল ভাইয়ের চলে যাওয়া জাতির জন্য এক বড় ক্ষতি।

ছানা ভাই, মিলন ভাইয়ের মাধ্যমে দুলাল ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় ১৯৮০ সালের রাকসু নির্বাচনের কয়েকদিন আগে। আমি তখনও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নই। তবে সক্রিয় হয়ে কাজ শুরু করেছি রাকসু নির্বাচন নিয়ে। দুলাল ভাইয়ের বন্ধু কাজী রওনকসহ অনেককের সাথে মিছিলে স্লোগানে আমি ছিলিাম সরব। রাবির ছাত্র হয়ে ওঠার আগেই দুলাল ভাই হয়ে ওঠেন আমার, আমাদের নেতা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিদায়ের পরও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করেছেন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের এবং যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকরে আইন সচিব হিসাবে তার ভূমিকা ছিল প্রশসংনীয়।

আমাদের ভালোবাসার মানুষ, আশির দশকে আমাদের পথ দেখানো এই মানুষের চলে যাওয়া খুব শূন্যতা বোধ করছি। মহান আল্লাহ তাকে বেহশত নসীব করুন। আমিন।

পরপারে ভালো থাকুন দুলাল ভাই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়