শিরোনাম
◈ অপ্রতিম হত্যা: আইফোনের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে বিরোধের তথ্য, হত্যার কারণ নিয়ে মিলছে নতুন সূত্র ◈ জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’ ◈ নবম পে-স্কেল: দুই ধাপে বেতন বাড়বে, সরকারের বাড়তি ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা ◈ অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রুহুল কবির রিজভী ◈ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বাসভাড়ায় ৫০ টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ◈ দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী ◈ নিউইয়র্কে মুখোমুখি বিএনপি-আওয়ামী লীগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন (ভিডিও) ◈ কুমিল্লায় মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছfড় মেরে হত্যা, ভাবি গুরুতর আহত ◈ ২৩ হাজার মাদক কারবারির কাছে জিম্মি দেশ ◈ আফগানিস্তানে আবার পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ৩

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২০, ০৮:৫৩ সকাল
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২০, ০৮:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বন্যায় ২০ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৪শ প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক রিপোর্ট: চলমান বন্যায় দেশের ২০ জেলায় অন্তত এক হাজার ৪০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বন্যাকবলিত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোর বিদ্যালয়গুলোয় ক্ষতি হয়েছে বেশি। এসব বিদ্যালয়ের ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় অবকাঠামো, আসবাবপত্র, বই-খাতাসহ ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। পানি এখনো না নামায় ক্ষতির এ পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ের মধ্যে পানি ঢুকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেলেও তা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) জানিয়েছে, বন্যায় ডুবে যাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান প্রতিদিন হালনাগাদ হচ্ছে। বন্যার কারণে গত এক মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কোথাও বিদ্যালয়গুলোর মেঝেতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও ক্লাসরুম বা খেলার মাঠসহ অর্ধেক ভবন ডুবে গেছে।

জানা গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্যাকবলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও ক্ষতির বিবরণ দিতে গত মঙ্গলবার ডিপিই থেকে দ্বিতীয় দফায় মাঠ কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত মাসেও এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। ডিপিই কর্মকর্তারা বলছেন, সব জেলা থেকে তালিকা পাওয়ার পর চূড়ান্তভাবে ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে এরই মধ্যে ডিপিইতে একটি সেল গঠন করা হয়েছে।

বন্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে ডিপিইর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার উপপরিচালক নুরুল বলেন, ‘বন্যায় চর এলাকা ও উত্তরবঙ্গের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে দেশের কোন জেলায় কী পরিমাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষতি হয়েছে তা উল্লেখ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাঠাতে দুই দফায় মাঠ পর্যায়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরই মধ্যে প্রতিদিন মাঠ পর্যায় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় এক হাজার ৪০০টি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্য পেয়েছি। এর মধ্যে লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় ৮৬টি, কুড়িগ্রামে ৭৯, গাইবান্ধায় ৬২, নীলফামারীতে ৫৮, রংপুরে ৫২, বগুড়ায় ৫৫, জামালপুরে ১২৩, সিরাজগঞ্জে ৪৯, টাঙ্গাইলে ৪৫, মানিকগঞ্জে ৩১, ফরিদপুরে ৪৭, নেত্রকোনায় ৭৯, ফেনীতে ৪৯, মাদারীপুরে ৭২, রাজবাড়ীতে ৪৮, শরীয়তপুরে ৪১, ঢাকায় ৫৫, নওগাঁয় ৬৬, সিলেটে ৭২, সুনামগঞ্জে ৪১, পাবনায় ৩২, কিশোরগঞ্জে ৪৭, ফেনীতে ৫৮ ও কক্সবাজারে ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্ষতি হয়েছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে প্রতিদিন এই সংখ্যা বাড়ছে।’

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলের বিষয়ে মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য পাঠানো হচ্ছে। পানি নেমে গেলে সেসব বিদ্যালয়ে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। বন্যা মোকাবিলা করতে প্রতিবছর প্রায় শত কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ক্ষতির হিসাব করে সে পরিমাণ অর্থ বিদ্যালয়গুলোতে সংস্কারের জন্য দেওয়া হবে। যুগান্তর,প্রিয়ডটকম