শিরোনাম
◈ রংপুরের চাঞ্চল্যকর চার খুন নিয়ে এত সন্দেহ ও অবিশ্বাস কেন? ◈ সংকটের প্রকৃত কারণ জনগণকে জানাতে এমপিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বারবার প্রতিশ্রুতি, তবু থামছে না সীমান্ত হত্যা : প্রতিমাসে একজন করে মারা যায় গুলিতে ◈ লা লিগায় টানা দ্বিতীয় জয় পে‌লো বার্সেলোনা ◈ দীর্ঘ হচ্ছে এলএনজি সংকট, মহেশখালীর দুই টার্মিনালে কমেছে গ্যাস সরবরাহ ◈ সৌদি আরবও ফিফা সভাপ‌তি ইনফা‌ন্তি‌নো‌কে নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করলো  ◈ তিব্বতে একের পর এক দুর্যোগ : বন্যার পর এবার আঘাত হানল ভূমিকম্প ◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ

প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৮:৫৮ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি ও গাঁজা উদ্ধার

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড তাজা গুলি ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তবে অভিযানের সময় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে ব্রিফিং প্রদানকারী কর্মকর্তাঃ টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী, (এক্স), বিএন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, নাফ নদী ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা প্রতিরোধে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদীসংলগ্ন স্থানে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও গোলাবারুদ মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের সদস্যরা ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-I হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে ২ কেজি গাঁজাও জব্দ করা হয়।

কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ও মাদক পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা বিস্ফোরকগুলো অসাধু ব্যক্তিদের হাতে পড়লে জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এই অভিযানের ফলে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধার করা গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও জব্দ করা গাঁজার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।

  • সর্বশেষ