শিরোনাম
◈ বারবার প্রতিশ্রুতি, তবু থামছে না সীমান্ত হত্যা : প্রতিমাসে একজন করে মারা যায় গুলিতে ◈ লা লিগায় টানা দ্বিতীয় জয় পে‌লো বার্সেলোনা ◈ দীর্ঘ হচ্ছে এলএনজি সংকট, মহেশখালীর দুই টার্মিনালে কমেছে গ্যাস সরবরাহ ◈ সৌদি আরবও ফিফা সভাপ‌তি ইনফা‌ন্তি‌নো‌কে নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করলো  ◈ তিব্বতে একের পর এক দুর্যোগ : বন্যার পর এবার আঘাত হানল ভূমিকম্প ◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৪৬ সকাল
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ হচ্ছে এলএনজি সংকট, মহেশখালীর দুই টার্মিনালে কমেছে গ্যাস সরবরাহ

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি সংকট যেন পিছু ছাড়ছে না কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের। সিডিউল অনুযায়ী আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ না আসায় টার্মিনাল দুটি থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে দেশে চলমান গ্যাস সংকটও কাটছে না। তবে গত সপ্তাহ থেকে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।

মহেশখালীর টার্মিনাল দুটিতে মাসে অন্তত ১১ থেকে ১২টি এলএনজিবাহী জাহাজ না পৌঁছালে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। এখন সেখানে মাসে ৫ থেকে ৬টি জাহাজ আসছে। বুধবার এলএনজিবাহী একটি জাহাজ আসার পর দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। অন্যদিকে পরবর্তী জাহাজ আসতে দেরি হওয়ায় মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের উৎপাদন কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে করে দুটি টার্মিনালের সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার দুইটি টার্মিনাল থেকে ৭৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল। সামিট থেকে মিলছিল ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ ওই টার্মিনালের সক্ষমতা ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর সমান সক্ষমতার এক্সিলারেট থেকে মাত্র ১৬১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। দুটি টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়।

নতুন এলএনজিতে পুরোদমে সচল হয়েছে সামিট। আর এলএনজির মজুদ ফুরিয়ে আসায় কমছে এক্সিলারেটের গ্যাস সরবরাহ। নতুন এলএনজিবাহী জাহাজ না আসা পর্যন্ত এক্সিলারেটের সরবরাহ এই পরিমাণই থাকবে। তবে কবে নাগাদ এই টার্মিনালের জন্য নতুন জাহাজ আসবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কর্মকর্তারা। যদিও আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে এলএনজির জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

তারা জানিয়েছেন, মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনালের এক হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পূর্ণ মাত্রায় সরবরাহ দিতে গেলে মাসে মোট ৩৩ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি গ্যাসের প্রয়োজন। প্রতি মাসে নিয়মিত ১১ থেকে ১২টি এলএনজি জাহাজ টার্মিনালের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু প্রয়োজনীয়সংখ্যক জাহাজ আসছে না। এমনকি আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও চড়া দামে পর্যাপ্ত এলএনজি পাওয়া যাচ্ছে না। পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহ জুড়ে দুটি টার্মিনাল থেকে গড়ে সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। গতকাল সরবরাহ আরো কিছুটা কমে ৭৩১ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। সরবরাহ না বাড়ায় দেশ জুড়ে গ্যাসসংকট শিগগিরই পুরোপুরি কাটছে না। শিল্প-কারখানা, আবাসিক গ্রাহক ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টদের ভোগান্তি কমার সুযোগ আপাতত নেই।

সূত্র: ইনকিলাব 

  • সর্বশেষ