শিরোনাম
◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২১ জুলাই, ২০২০, ১২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২০, ১২:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মুক্তিপণের জন্য ভাতিজাকে জিম্মি, চাচার গোপন টর্চার সেলে নির্যাতন

এএইচ রাফি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : [২] ওই টর্চার সেল থেকে সোহরাব খান সৌরভ (২৫) নামে এক ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার গভীর রাতে চাচা ইমরান মিয়ার ঘরের ভিতরে নির্মিত ওই টর্চার সেল থেকে গ্রেপ্তার করে সৌরভকে এবং উদ্ধার করা হয় জিম্মি হওয়া ভাতিজা মোস্তাক মিয়াকে।

[৩] এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোস্তাক মিয়া বাদি হয়ে কসবা থানায় ৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন।

[৪] গ্রামবাসী ও থানায় অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বিশারাবাড়ী গ্রামের মৃত ফজুলর রহমানের ছেলে কসবা বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তাক মিয়া রোববার (১৯জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাওয়ার সময় সাথে ইমরান ছিলো। বাড়ির কাছে গেলে মৃত আবদুল মালেক মিয়ার ছেলে ইমরান মিয়া মোস্তাককে মুখে চেপে ধরে জোরপূর্বক তার ঘরে নিয়ে যায়। পরে ওই ঘরে থাকা ভাড়াটিয়া খুনি সৌরভের সহযোগিতায় মুখে স্কচটেপ পেচিয়ে ও কালো কাপড়ে চোখ বেধে ঘরের নিচে গোপন টর্চার সেলে নিয়ে যায়। সেখানে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে তাকে মারধোর করা হয় এবং ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চাচা ইমরান মিয়া। টাকা না দিলে তাকে খুন করা হবে মোস্তাককে টর্চার সেলের ভিতর হুমকি দেয় ইমরান ও ভাড়াটিয়া খুনি সৌরভ। এরই মাঝে মোস্তাক বাড়িতে না আসায় তাকে খোঁজাখোঁজি শুরু করে বাড়ির লোকজন।

[৫] এক পর্যায়ে পাশের বাড়ির চাচাতো চাচা ইমরানের ঘরেও তল্লাসী করে মোস্তাকের পরিবারের লোকজন। এসময় এক পর্যায়ে টর্চারসেলে ধস্তাধস্তি করে উপরে উঠে আসে মোস্তাক এবং চিৎকার দিলে মহল্লার মানুষ ইমরানের ঘরটিকে ঘেরাও করে মোস্তাককে উদ্ধার করে। এমতাবস্তায় ইমরান পালিয়ে যায়। গ্রামের মানুষ ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে পুলিশকে অবহিত করলে রাত ১১টায় পুলিশ এসে ঘরের ভেতর ব্যাংকারে অভিযান চালিয়ে সৌরভ নামে এক দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসীকে আটক করে। পরে সেখান থেকে ছুরি, চাইনিজ কুড়াল, ইলেকট্রিক্যাল টর্চারসহ নানা ধরনের যন্ত্রপাতি উদ্ধার করে।

[৬] অপহৃত ব্যবসায়ী মোস্তাক আহাম্মদ বলেন, বাড়ির গেইটে ঢুকা মাত্র চাচা ইমরানসহ তিনজন তাকে গলা চেপে ধরে নিয়ে যায় তার ঘরে। সেখানে টর্চার সেলে নিয়ে তার গলায় ছুরি ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে ইমরান। এ সময় এমরানের ভাড়াটে সন্ত্রাসী সোহরাব খান সৌরভ আরো একটি ছুরি ধরে বলেন সে ১৮টি খুন করেছে। এ খুনটি নিয়ে ১৯টি খুন হবে। তোর ভাইকে বল তাড়াতাড়ি ১০লাখ টাকা পৌছে দিতে। নতুবা দুই মিনিটের মধ্যে তোকে খুন করে ফেলব।

[৭] কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী মোস্তাক আহাম্মদকে অপহরনের ঘটনায় ইমরান হোসেনকে প্রধান আসামী করে তিনজনের নামে অপরহরণ ও মুক্তিপণ দাবীর মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ