শিরোনাম
◈ ভারতে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরাতে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে: শামা ওবায়েদ ◈ ঢাবি ক্যাম্পাসে কে ঢোকে, কে বের হয়—নজর রাখবে এআই ক্যামেরা ◈ বাংলাদেশি সন্দেহে গভীর রাতে মুসলিমদের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অভিযান ◈ হুথিদের মোকাবিলায় সামরিক সহায়তা চাইল সৌদি, বিবেচনা করছে যুক্তরাজ্য ◈ ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭৫৩ ◈ প্রতিটি অপরাধের পেছনে জুয়া নয়তো মাদকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩২০ ◈ শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামির জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ ◈ মক্কায় ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের, সৌদির প্রতি সংহতি ◈ সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের চার্জশিট অনুমোদন

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের দোয়া

নাজনীন আহমেদ: ১৯৯১ সনের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ক্লাস শুরুর মাসখানেকের মধ্যে জানলাম, নবীনদের বরণ করে নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। টিএসসিতে স্থান সংকুলানের জন্য একেকদিন ৩টি বিভাগের নবীনবরণ হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের দিন টিএসসির অডিটোরিয়ামে সমবেত হওয়ার পরে বলা হলো, প্রত্যেক বিভাগের নবীনদের পক্ষ থেকে একজনকে মঞ্চে উঠে বক্তৃতা দিতে হবে। ১৯৯০ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করার কারণে, আমার কিছুটা পরিচিতি ছিল, বলে কিনা জানি না। আমার ক্লাসমেইটরা বললো, অর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকেই বক্তৃতা দিতে হবে। মঞ্চভীতি আমার কোনোকালেই নেই। কিন্তু তবুও কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া।

এতো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের সামনে বক্তৃতা দিতে হবে। ভেবে একটু ভয় পেয়েছিলাম। মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন স্বয়ং উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। মঞ্চে গিয়ে বক্তৃতা দিলাম। বেশ আবেগ-অনুভূতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার পাশাপাশি, সকল ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা বলেছিলাম সেই বক্তৃতায়। ৭-৮ মিনিটের বক্তৃতা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল করতালি। কিন্তু যা আমাকে বিস্ময় ও আবেগে আপ্লুত করেছিল, তাহলো ভিসি এমাজউদ্দীন স্যার চেয়ার থেকে উঠে, ডায়াসে এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে দোয়া করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পরপরই এমন একটি ঘটনা আমাকে অভিভূত করেছিল। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি, তার জন্য দোয়া রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ