শিরোনাম
◈ কর্মপরিকল্পনার ১৮০ দিন শেষ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন; হতে পারে দপ্তর রদবদল ◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের দোয়া

নাজনীন আহমেদ: ১৯৯১ সনের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ক্লাস শুরুর মাসখানেকের মধ্যে জানলাম, নবীনদের বরণ করে নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। টিএসসিতে স্থান সংকুলানের জন্য একেকদিন ৩টি বিভাগের নবীনবরণ হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের দিন টিএসসির অডিটোরিয়ামে সমবেত হওয়ার পরে বলা হলো, প্রত্যেক বিভাগের নবীনদের পক্ষ থেকে একজনকে মঞ্চে উঠে বক্তৃতা দিতে হবে। ১৯৯০ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করার কারণে, আমার কিছুটা পরিচিতি ছিল, বলে কিনা জানি না। আমার ক্লাসমেইটরা বললো, অর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকেই বক্তৃতা দিতে হবে। মঞ্চভীতি আমার কোনোকালেই নেই। কিন্তু তবুও কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া।

এতো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের সামনে বক্তৃতা দিতে হবে। ভেবে একটু ভয় পেয়েছিলাম। মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন স্বয়ং উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। মঞ্চে গিয়ে বক্তৃতা দিলাম। বেশ আবেগ-অনুভূতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার পাশাপাশি, সকল ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা বলেছিলাম সেই বক্তৃতায়। ৭-৮ মিনিটের বক্তৃতা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল করতালি। কিন্তু যা আমাকে বিস্ময় ও আবেগে আপ্লুত করেছিল, তাহলো ভিসি এমাজউদ্দীন স্যার চেয়ার থেকে উঠে, ডায়াসে এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে দোয়া করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পরপরই এমন একটি ঘটনা আমাকে অভিভূত করেছিল। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি, তার জন্য দোয়া রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়