শিরোনাম
◈ পাহাড়ি আম-আনারসসহ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চাঁদাবাজি বন্ধে গুরুত্ব সরকারের ◈ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত ◈ দিল্লি পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্ত কেজরিওয়াল-মমতা, আটককে ‘অপহরণ’ বললেন তৃণমূল নেত্রী ◈ সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত বহু যাত্রী; বাতিল বহু ফ্লাইট ◈ আবুধাবি টেস্ট, বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে লড়‌ছে আফগা‌নিস্তান, এখ‌নো ১৩৫ রানে পিছিয়ে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, শিশুসহ নিহত ৯ ◈ ফেসবুকে পরিচয় কে এই রাজু, ১৭ দিনের সম্পর্কের পর কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে কী ঘটেছিল স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি: বাংলাদেশের লাভ কতটা, ঝুঁকি কোথায়? ◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের দোয়া

নাজনীন আহমেদ: ১৯৯১ সনের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ক্লাস শুরুর মাসখানেকের মধ্যে জানলাম, নবীনদের বরণ করে নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। টিএসসিতে স্থান সংকুলানের জন্য একেকদিন ৩টি বিভাগের নবীনবরণ হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের দিন টিএসসির অডিটোরিয়ামে সমবেত হওয়ার পরে বলা হলো, প্রত্যেক বিভাগের নবীনদের পক্ষ থেকে একজনকে মঞ্চে উঠে বক্তৃতা দিতে হবে। ১৯৯০ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করার কারণে, আমার কিছুটা পরিচিতি ছিল, বলে কিনা জানি না। আমার ক্লাসমেইটরা বললো, অর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকেই বক্তৃতা দিতে হবে। মঞ্চভীতি আমার কোনোকালেই নেই। কিন্তু তবুও কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া।

এতো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের সামনে বক্তৃতা দিতে হবে। ভেবে একটু ভয় পেয়েছিলাম। মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন স্বয়ং উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। মঞ্চে গিয়ে বক্তৃতা দিলাম। বেশ আবেগ-অনুভূতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার পাশাপাশি, সকল ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা বলেছিলাম সেই বক্তৃতায়। ৭-৮ মিনিটের বক্তৃতা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল করতালি। কিন্তু যা আমাকে বিস্ময় ও আবেগে আপ্লুত করেছিল, তাহলো ভিসি এমাজউদ্দীন স্যার চেয়ার থেকে উঠে, ডায়াসে এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে দোয়া করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পরপরই এমন একটি ঘটনা আমাকে অভিভূত করেছিল। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি, তার জন্য দোয়া রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ