শিরোনাম
◈ রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর ক্রিকেটার‌দের তা‌মিম বল‌লেন, ক‌ঠোর প‌রিশ্রম চা‌লি‌য়ে যাও রেজাল্ট পা‌বে ◈ টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী ◈ বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম ◈ ছবি চালিয়ে বিদ্যুৎ বিলের টাকাও উঠছে না, চিরতরে বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের ‘উল্কা’ সিনেমা হল ◈ কক্সবাজারের পাহাড়ি সড়কে দুই দফায় ডাকাতি, ১৫-১৬টি যানবাহনের যাত্রীদের মালামাল লুট ◈ ঢাকা-২৩ আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন পেতে ৬৯ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিলেন তারেক রহমান ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের এ মাসেই বাড়তি বেতন-ভাতা নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় ◈ পরমাণু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে চাপ নিতে প্রস্তুত কি দেশের গ্রিড? বড় চ্যালেঞ্জ স্পিনিং রিজার্ভ

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের দোয়া

নাজনীন আহমেদ: ১৯৯১ সনের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ক্লাস শুরুর মাসখানেকের মধ্যে জানলাম, নবীনদের বরণ করে নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। টিএসসিতে স্থান সংকুলানের জন্য একেকদিন ৩টি বিভাগের নবীনবরণ হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের দিন টিএসসির অডিটোরিয়ামে সমবেত হওয়ার পরে বলা হলো, প্রত্যেক বিভাগের নবীনদের পক্ষ থেকে একজনকে মঞ্চে উঠে বক্তৃতা দিতে হবে। ১৯৯০ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করার কারণে, আমার কিছুটা পরিচিতি ছিল, বলে কিনা জানি না। আমার ক্লাসমেইটরা বললো, অর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকেই বক্তৃতা দিতে হবে। মঞ্চভীতি আমার কোনোকালেই নেই। কিন্তু তবুও কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া।

এতো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের সামনে বক্তৃতা দিতে হবে। ভেবে একটু ভয় পেয়েছিলাম। মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন স্বয়ং উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। মঞ্চে গিয়ে বক্তৃতা দিলাম। বেশ আবেগ-অনুভূতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার পাশাপাশি, সকল ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা বলেছিলাম সেই বক্তৃতায়। ৭-৮ মিনিটের বক্তৃতা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল করতালি। কিন্তু যা আমাকে বিস্ময় ও আবেগে আপ্লুত করেছিল, তাহলো ভিসি এমাজউদ্দীন স্যার চেয়ার থেকে উঠে, ডায়াসে এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে দোয়া করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পরপরই এমন একটি ঘটনা আমাকে অভিভূত করেছিল। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি, তার জন্য দোয়া রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ