শিরোনাম
◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ কনটেইনার ডেলিভারি ◈ মিরপুরে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা ◈ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় এজহারভুক্ত আসামী গ্রেফতার মিজানুর রহমান ◈ দেশে চুরি হওয়া ফোন চীনে কিনে সেটি আবার ঢাকায়, প্র'তারিত বহু ব্যবসায়ী (ভিডিও) ◈ নীরবে খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন ◈ সৌদি আরবে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ◈ রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেল সদৃশ বস্তু, ঘিরে রেখেছে এসআরবি-২ দল

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২০, ১২:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাজনীন আহমেদ: নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমদ স্যারের দোয়া

নাজনীন আহমেদ: ১৯৯১ সনের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী হিসেবে ক্লাস শুরুর মাসখানেকের মধ্যে জানলাম, নবীনদের বরণ করে নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। টিএসসিতে স্থান সংকুলানের জন্য একেকদিন ৩টি বিভাগের নবীনবরণ হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের দিন টিএসসির অডিটোরিয়ামে সমবেত হওয়ার পরে বলা হলো, প্রত্যেক বিভাগের নবীনদের পক্ষ থেকে একজনকে মঞ্চে উঠে বক্তৃতা দিতে হবে। ১৯৯০ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করার কারণে, আমার কিছুটা পরিচিতি ছিল, বলে কিনা জানি না। আমার ক্লাসমেইটরা বললো, অর্থনীতি বিভাগের পক্ষ থেকে আমাকেই বক্তৃতা দিতে হবে। মঞ্চভীতি আমার কোনোকালেই নেই। কিন্তু তবুও কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া।

এতো ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের সামনে বক্তৃতা দিতে হবে। ভেবে একটু ভয় পেয়েছিলাম। মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপবিষ্ট ছিলেন স্বয়ং উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। মঞ্চে গিয়ে বক্তৃতা দিলাম। বেশ আবেগ-অনুভূতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার পাশাপাশি, সকল ছাত্র ছাত্রীর প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা বলেছিলাম সেই বক্তৃতায়। ৭-৮ মিনিটের বক্তৃতা শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল করতালি। কিন্তু যা আমাকে বিস্ময় ও আবেগে আপ্লুত করেছিল, তাহলো ভিসি এমাজউদ্দীন স্যার চেয়ার থেকে উঠে, ডায়াসে এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে দোয়া করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পরপরই এমন একটি ঘটনা আমাকে অভিভূত করেছিল। অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুতে শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি, তার জন্য দোয়া রইলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ