প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২০২১-এর আগে কোনও ভ্যাকসিন বাজারে আসবে না: ভারতের বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়

সালেহ্ বিপ্লব : [২] ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এই শনিবারেই বললো, ১৫ আগস্টের মধ্যে কোভিডের ভ্যাকসিন তৈরি হয়ে যাবে। তার একদিন পর রোববার দুপুরে সরকারি সংস্থাটির দাবির বিপরীতে কথা বললো মন্ত্রণা্লয়। সাফ জানিয়ে দিলো, ২০২১-এর আগে সম্ভব না। এনডিটিভি

[৩] মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মোট ছয়টি ভারতীয় সংস্থা ভ্যাকসিন তৈরির কাজে যুক্ত। তার মধ্যে কোভ্যাক্সিন আর জাইকোভ-ডি তৈরি। বিশ্বে মোট ১৪০টি ভ্যাকসিন তৈরির দাবি উঠেছে। মাত্র ১১টি টীকা হিউম্যান ট্রায়ালে আছে। কোনোটাই আগামি বছরের আগে বাজারে আসছে না।

[৪] সরকারের তরফে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, ব্রিটিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা আর ইউএস সংস্থা মডার্না উৎপাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এরা ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে টীকা উৎপাদন করবে।

[৫] আগের দিন আইসিএমআর জানিয়েছিলো, এই সংস্থা এবং বায়োটেক ইন্ডিয়ার যৌথ গবেষণায় কোভিডের টীকা কোভ্যাক্সিন আবিষ্কার করা হয়েছে। কোভ্যাক্সিনের হিউম্যান ট্রায়ালে সবুজ সংকেত দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোল অফ ইন্ডিয়া। ১৫ আগস্টের মধ্যে এই ট্রায়াল শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে আইসিএমআর।

আইসিএমআরের ঘোষণায় বিতর্ক ওঠে ভারতজুড়ে। অভিযোগ ওঠে, তাড়াহুড়োর মাধ্যমে আপস করা হচ্ছে মানবদেহের স্বার্থে। হিউম্যান ট্রায়াল একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আবিষ্কারের পর বাজারে ড্রাগ হিসেবে বাজারে আসতে নয় মাস সময় লাগে। সেখানে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে কীভাবে বাজারে আসবে এই ভ্যাকসিন? এই প্রশ্ন তুলেছেন ড্রাগ বিশেষজ্ঞরা।

[৬] এদিকে, আইসিএমআর সংস্থার ডিজি বলরাম ভার্গব এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের ১২টি হাসপাতাল ফাস্টট্র্যাকের ভিত্তিতে কোভ্যাক্সিনের হিউম্যান ট্রায়াল সম্পন্ন করবে। লাল ফিতের ফাঁসে যাতে হিউম্যান ট্রায়াল আটকে না থাকে, তার ওপর জোর দেন তিনি।

[৭] তিনি জানান, “বিশ্ব টীকা বিধি অনুসরণ করেই কাজ করে আইসিএমআর। যেখানে মানবদেহে এবং প্রাণীদেহে ভ্যাকসিন ট্রায়াল সমান্তরাল ভাবে চলবে। সর্বস্ব প্রচেষ্টা দিয়ে এই ট্রায়াল চলবে। আর নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ডেটা সেফটি মনিটরিং বোর্ডকে সক্রিয় করা হবে।”

[৮] ভার্গব আরো বলেন, অযথা যাতে পদ্ধতিকে বাইপাস করা না হয়। যত বেশী সম্ভব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের তাগিদও দিয়েছেন আইসিএমআর প্রধান।

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত