শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির ডলারের বাজার, দুর্বল হচ্ছে টাকা ◈ মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ, ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি নয় ট্রাম্প ◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামীলীগ ◈ উন্নত চিকিৎসায় মির্জা আব্বাসকে কাল  সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে, মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে ◈ ঈদের আগে-পরে ১২ দিন ২৪ ঘণ্টা তেলের পাম্প খোলা থাকবে ◈ ছুটিতে আসা প্রবাসীদের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২০, ১১:১৪ দুপুর
আপডেট : ২৯ জুন, ২০২০, ১১:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ”বাবা, আমি শ্বাস নিতে পারছি না” (ভিডিও)

ইয়াসিন আরাফাত : [২] ''অক্সিজেন চাইছি। ওরা দিচ্ছে না। বাবা, আমি আর শ্বাস নিতে পারছি না।'' এটাই ছিল ভারতের হায়দরাবাদের করোনা আক্রান্ত ৩৪ বছরের যুবকের শেষ ভিডিও বার্তা।

[৩] পরপর দশটা বেসরকারি হাসপাতাল তাকে ভর্তি করেনি। শেষ পর্যন্ত হায়দরাবাদ চেষ্ট হাসপাতালে তিনি ভর্তি হতে পেরেছিলেন। কিন্তু সেখানে বারবার কাকুতি-মিনতি করেও সাহায্য পেলেন না। অক্সিজেন জুটলো না তাঁর। শেষ পর্যন্ত শ্বাস নিতে না পারার ভিডিও পাঠালেন বাবাকে। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা গেলেন ওই যুবক।

[৪] ভিডিওতে হাঁপাতে হাঁপাতে ওই যুবক বলছেন, ‘‘ওরা ভেন্টিলেটর সরিয়ে দিয়েছে। তিন ঘণ্টা ধরে আমি অক্সিজেন দিতে বলছি। আমার হৃদ্‌পিণ্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমি শ্বাস নিতে পারছি না। বিদায় বাবা, বিদায় সকলকে।’’

[৫] সামাজিক মাধ্যমে ওই ভিডিও এখন ভাইরাল হয়েছে। লোকে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলছেন, করোনাকালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাঁদের কী বিপদের মুখে পড়তে হয়েছে। ওই যুবকের শেষকৃত্য করে ফেরার পর ছেলের ওই ভিডিও দেখেন তাঁর বাবা। তিনি জানিয়েছেন, ''আমার ছেলে সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু কেউ সাহায্য করেনি। আমার ছেলের ক্ষেত্রে যা হয়েছে, তা যে কোনও লোকের ক্ষেত্রে হতে পারে। কেন আমার ছেলেকে অক্সিজেন দেওয়া হলো না? ওই ভিডিও দেখার পর আমি বিপর্যস্ত। ভেঙে পড়েছি।''

[৬] ওই যুবকের বাবার অভিযোগ, সে দিন একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল তার ছেলেকে ভর্তি নেয়নি। তার পরই ওই সরকারি হাসাপাতালে ছেলেকে ভর্তি করেন তিনি। শুক্রবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

[৭] এর মধ্যে একটি বেসরকারি হাসপাতাল তাঁর ছেলের লালারস পরীক্ষার জন্য দিয়েছিল। তার রিপোর্ট এসেছে, ওই যুবক করোনা পজিটিভ ছিল।

[৮] তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন ওই হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট মেহবুব খান। তিনি বলেছেন, ‘‘রোগীর অক্সিজেন চালু ছিল। কিন্তু তাঁর অবস্থা এতটাই সঙ্কটজনক ছিল যে, তিনি সেটা বুঝতে পারেননি।’’ শেষ কয়েক দিনে ওই হাসপাতালে বেশ কয়েকটি এ রকম ঘটনা ঘটেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, ‘‘বয়স্করা ফুসফুসে সংক্রমিত হয়ে এ রকম আকস্মিক ভাবে মারা যাচ্ছিলেন। কিন্তু শেষ ক’দিনে ২৫-৪০ বছর বয়সিদেরও হৃদ্‌পিণ্ড কাজ বন্ধ করায় মৃত্যু হচ্ছে। আমরা তাদের অক্সিজেন চালু রেখেছিলাম। কিন্তু তাঁদের মনে হচ্ছিল, পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন তাঁরা পাচ্ছেন না।’’ এই ঘটনায় চিকিৎসকদের কোনও গাফিলতি নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়