প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে তামিমদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: [২] রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই ছোট এক পরীক্ষায় বসে যেতে হবে বাংলাদেশের এক ঝাঁক ক্রিকেটারকে। সে পরীক্ষা মাঠে ব্যাট-বলের নয়। একেবারে যাকে বলে প্রশ্নপত্র দেখে উত্তর লেখার পরীক্ষা। প্রতিদিনের এ পরীক্ষার শুরু আছে, তবে শেষ কবে বলার উপায় এখন নেই। কারণ করোনা কবে বাংলাদেশ থেকে এর থাবা গুটিয়ে নেবে, কে বলতে পারে তা?

[৩] ক্রিকেটারদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে থাকা এই রোগ না আবার এদের বিশালসংখ্যককেও আক্রান্ত করে ফেলে, আছে সেই ভয়ও। আগাম সতর্কতা হিসেবে তাই প্রতিদিন সকালের পরীক্ষায় তামিম ইকবালদের বসিয়ে দিচ্ছে বিসিবি।

[৪] পরীক্ষায় তাদের রোজকার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন থাকবে। তারা নিজেদের শারীরিক অবস্থা বুঝে দেবেন উত্তরও। সেই উত্তর দেখেই বিসিবির ডাক্তাররা বুঝবেন কার কী অবস্থা। যদি কারো জবাবে মনে হয় যে তার মধ্যে করোনার উপসর্গ রয়েছে, তাহলে সেই অনুযায়ীই ডাক্তাররা করণীয় ঠিক করবেন এবং নেবেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও।

[৫] নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত এ পরীক্ষাটি তামিমরা দেবেন একটি অ্যাপের মাধ্যমে। অ্যাপটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কভিড-১৯ ওয়েল বিয়িং অ্যাপ’। ক্রিকেটারদের এর মধ্যেই বলা হয়েছে অ্যাপটি প্রত্যেকের মোবাইলে ডাউনলোড করে নিতে।

[৬] শুরুতেও থাকবে তাদের জন্য প্রশ্নপত্র। সেসবের উত্তর দিয়ে প্রক্রিয়ার মধ্যে ঢুকে যাবেন তারা। এরপর প্রতিদিন সকালে ওই অ্যাপ খুলে তাদের আরো কিছু প্রশ্নেরও উত্তর দিতে হবে। সকালের প্রশ্নপত্রে এই পরীক্ষা দিতে অবশ্য খুব বেশি সময় লাগবে না তামিমদের।

[৭] বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, উত্তর লিখতে বড়জোর ৩০-৪০ সেকেন্ড লাগতে পারে ক্রিকেটারদের। উত্তরপত্র পড়ে যদি বিসিবির ডাক্তাররা দেখেন কারো মধ্যে করোনার উপসর্গ রয়েছে, সেক্ষেত্রে তারা দ্রæত ব্যবস্থা নেবেন। তখন হয়ত কারো কারো করোনা পরীক্ষারও উদ্যোগ নেবেন তারা।

[৮] উপসর্গহীন ক্রিকেটারকেও প্রতিদিন সকালে নির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাব দিয়ে যেতে হবে। বিসিবি সিইও জানিয়েছেন, আপাতত পুরুষ ও নারী জাতীয় দল এবং বিশ্বকাপ জেতা অনুর্ধ্ব-১৯ দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে সংখ্যাটি হবে ৭০ জনের মতো। এরপর ধাপে ধাপে কলেবরও বাড়ানো হবে এই অ্যাপের। সূত্র, ক্রিকফ্রেঞ্জি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত