প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিমানবন্দরে বিদেশগামী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

লাইজুল ইসলাম : [২] কোভিড-১৯ মহামারির কারণে মার্চ থেকে বন্ধ ছিলো স্বাভাবিক বিমান চলাচল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই মাস পর শুরু হয় অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল। এরপর শুরু হয় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল। তাছাড়া বিশেষ ফ্লাইট বিভিন্ন দেশে চলছিলো।

[৩] জুনে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের চায়না সাদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ১৭ জন যাত্রী সেখানে যাওয়ার পর কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। তাই চায়না সাদার্ন এয়ারলাইন্সকে চার সপ্তাহ বাংলাদেশে ফ্লাইট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় চীন। এপ্রিলে বাংলাদেশ বিমানের চার্টার ফ্লাইট জাপান গেলে সেখানের বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দুজন যাত্রীর করোনাভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়ে। বিমানের চার্টার ফ্লাইট পরিচালনার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাপান সরকার।

[৪] হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান বলেন, না যাত্রীর যদি শরীরে তাপমাত্রা বেশি হয় কিংবা সর্দি-কাশি থাকে, তাহলে তাকে বিমানবন্দরে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বিমানবন্দরে ঢোকার সময় আমরা তো সবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করি। স্বাস্থ্য পরীক্ষা আমরা করি না।

[৫] তিনি বলেন, যাত্রীদের কেউ যদি সিমটম ছাড়া চলে যায় বা সিমটম ছাড়া ভ্রমণ করে, তাহলে সেটা দেখার কোনো সুযোগ আমাদের কাছে নেই। আমরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চেয়েছি বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য। কিন্তু তারা দেয়নি। এছাড়া, প্যাসেঞ্জার যে দেশে যাচ্ছে সেই দেশের কী রিকোয়ারমেন্ট, কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট লাগবে কি না, ভিসা আছে কি না- এই বিষয়গুলো এয়ালাইন্স ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরীক্ষিত হয়। সুতরাং কেউ যদি কোভিড-১৯ নিয়ে যায়, সেটা দেখার দায়িত্ব কিন্তু বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের না।

[৬] হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, সিভিল এভিয়েশন আমাদের জানালে আমরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি। তারা করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখিয়েছিল বলে ফ্লাই করার অনুমতি পেয়েছিল। আর এত অল্প সময়ের মধ্যে কোনো সার্টিফিকেট ভেরিফাই করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। তবে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত কোনো চিকিৎসক নাই।

[৭] এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল আলম বলেন, এখান থেকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন, অন্য দেশে গিয়ে পজেটিভ হচ্ছে, মনে হচ্ছে আমাদের পরীক্ষাগুলোতে কিছুটা সমস্য হচ্ছে। এটা রিএ্যাকজাম করা উচিত। পাশাপাশি র‌্যাপিড কিট নিয়ে পরীক্ষা করে এন্টিবডি রয়েছে কি না, সেটাও দেখা উচিত।

সর্বাধিক পঠিত