প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনায় নতুন চাকরির বিজ্ঞাপন ৫০ ভাগ কমেছে!

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনাভাইরাসের কারণে তৈরি হওয়া মন্দায় ব্যাংকিং, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতন কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান খরচ কমাতে কর্মী ছাঁটাই করছে। আর বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে। দেশ রূপান্তর

‘করোনাভাইরাস: বাংলাদেশের চাকরি প্রত্যাশীদের সামনে যে ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে’ শিরোনামে এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে বিবিসি বাংলা।

চাকরি সংক্রান্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী একেএম ফাহিম মাশরুর বলেন, ফেব্রুয়ারির পর থেকে চাকরির বিজ্ঞাপন অনেক কমে গেছে। যেসব চাকরির বিজ্ঞাপন আসছে, সেখানেও অভিজ্ঞ কর্মী চাওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আগে যেরকম বিজ্ঞাপন আসতো, করোনার কারণে সেটা ৬০% থেকে ৭০% কমে গেছে। মে মাসে একটু বাড়লেও এখনো ৫০% কম আছে।’

‘যেসব বিজ্ঞাপন আসছে, সেখানে অভিজ্ঞ লোক চাওয়া হচ্ছে, ফ্রেশ গ্রাজুয়েটদের চাহিদা আরও অনেক কমে গেছে’ যোগ করেন ফাহিম মাশরুর।

ব্যাংক, বহুজাতিক বা বড় কোম্পানিগুলো গত কয়েকমাস ধরে ব্যবসা না হওয়ায় কর্মী ছাঁটাই বা বর্তমান কর্মীদের বেতন কমিয়ে দিচ্ছে।

ব্যাংকগুলো বলছে, আগে থেকেই খেলাপি ঋণের চাপ, তারল্য সংকট, তার ওপর ব্যবসা বাণিজ্যের অবনতির কারণে করোনাভাইরাসের এই প্রাদুর্ভাবে তাদের ব্যবসা খাদের কিনারে। ব্যয় কমানো ছাড়া তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই। বেতন না কমালে ছাঁটাই করতে হবে।

ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘বড় প্রতিষ্ঠানগুলো হয়তো লোক ছাঁটাই করছে না, কিন্তু ছোট বা মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো কিন্তু অনেক কর্মী ছাঁটাই করছে। এখন ডেভেলপমেন্ট সেক্টর, এনজিও বা ই-কমার্স কোম্পানি ছাড়া আর কেউ এখন কর্মী নিয়োগ করছে না।’

বাংলাদেশের একটি বৃহৎ বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক অমিত বণিক বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ক্ষতি তো সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপরেই পড়েছে, আমাদের ওপরেও পড়েছে। আগের তুলনায় ব্যবসা অনেক কমে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমাদের ব্যবসাটা আগের তুলনায় অনেক কমে আসছে, তাই নতুন করে কর্মী নিয়োগ আপাতত আগের মতো আর হচ্ছে না। বরং কাউকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি মনে করেন, করোনাভাইরাসের মন্দার কারণে আপাতত বেশ কিছুদিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আর আগের মতো নতুন কর্মী নিয়োগ করতে পারবে না। কবে থেকে তারা আবার সেটা চালু করতে পারবে, সেটাও বলা যাবে না।

একাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানান, অত্যন্ত জরুরি না হলে তাদের প্রতিষ্ঠানে আপাতত কয়েকমাস কোনো রকম নিয়োগ কার্যক্রম না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে শীর্ষ পর্যায় থেকে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত