শিরোনাম
◈ বিপৎসীমার কাছাকাছি আরও পাঁচ পয়েন্ট, বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা ◈ আর্থিক সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থানে আইএমএফের পূর্ণ সমর্থন: অর্থমন্ত্রী ◈ শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন ‍সিদ্ধান্ত ◈ দুবাই থেকে বিশেষ কৌশলে আনা ২ কেজির বেশি স্বর্ণ জব্দ, চট্টগ্রামে আটক একজন ◈ চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও পাট বাণিজ্যে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের বড় সমঝোতা, শিগগিরই সই হবে এমওইউ ◈ বন্যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেলো চট্টগ্রাম, সারা দেশে কত ◈ বর্তমান বিএনপি সরকারের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ: প্রধানমন্ত্রী ◈ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট–সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা: সতর্কীকরণ কেন্দ্র

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২০, ০৬:৫৩ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০২০, ০৬:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসা ব্রিটিশ বাংলাদেশি দবিরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানালো ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : [২] করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত মানুষদের সাহায্যার্থে হাঁটছেন শতবর্ষী ব্রিটিশ বাংলাদেশি এই নাগরিক।
[৩] ব্রিটিশ হাইকমিশন যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিসের বরাদ দিয়ে জানায়, ১০০ বছর বয়সী ব্রিটিশ বাংলাদেশি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী ক্যাপ্টেন স্যার টম মুরের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লন্ডনে তার বাড়ির সামনে বাগানে হেঁটে গত ২৬ দিনে জোগাড় করেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার পাউন্ড।
[৪] বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত মানুষের সহায়তায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
[৫] আমরা দবিরুল ইসলাম চৌধুরীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
[৬] সংগৃহীত অর্থ যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ প্রায় ৫০টি দেশের করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ব্যয় করা হবে বলে বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো তাদের প্রতিবেদনে জানায়।
[৭] জাস্টগিভিং ডটকমে পেজ খুলে অর্থ উত্তোলনের এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন দবিরুল ইসলাম চৌধুরী।
[৮] গার্ডিয়ান বলছে, শুধু এক হাজার পাউন্ড তোলার লক্ষ্য থাকলেও, মানুষের অভাবিত সাড়ায় উৎসাহিত হয়েছেন দবিরুল। রমজান মাসজুড়েই বাগানে হেঁটে হেঁটে তহবিল সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যেতে চান শতবর্ষী এই ব্যক্তি।
[৯] ১৯২০ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন দবিরুল ইসলাম চৌধুরী। ১৯৫৭ সালে তিনি লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
[১০] দবিরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে আতিক চৌধুরী বিবিসিকে বলেছেন, শুরুতে খুবই ধীরগতিতে হাঁটা শুরু করেছিলেন তাঁর বাবা। পরে আস্তে আস্তে তিনি হাঁটার গতি বাড়িয়েছেন। সমস্যা হলো, এরপর‌ তিনি থামতেই চাচ্ছিলেন না।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়