শিরোনাম
◈ জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তা সংকটে দেশের পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা, মালিকদের সতর্কবার্তা ◈ যৌ.ন আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি: সমাধান নাকি লাভজনক ব্যবসা? ◈ ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতির বড় ধাক্কা, ঝুঁকির তালিকায় শীর্ষে কারা ◈ শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ◈ এবার বিশ্বনেতাদের কাছে ইরানকে রুখতে যে আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু ◈ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শেষ করার জন্য অবশেষে যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তুরস্ক ◈ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি; গুলিবিদ্ধ ৪ ◈ ১৫ বছর বয়‌সে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস! ◈ হাদিকে হত্যা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে: দাবি অভিযুক্ত ফয়সালের ◈ একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২০, ০৬:৫৩ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০২০, ০৬:৫৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসা ব্রিটিশ বাংলাদেশি দবিরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানালো ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : [২] করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত মানুষদের সাহায্যার্থে হাঁটছেন শতবর্ষী ব্রিটিশ বাংলাদেশি এই নাগরিক।
[৩] ব্রিটিশ হাইকমিশন যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিসের বরাদ দিয়ে জানায়, ১০০ বছর বয়সী ব্রিটিশ বাংলাদেশি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী ক্যাপ্টেন স্যার টম মুরের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লন্ডনে তার বাড়ির সামনে বাগানে হেঁটে গত ২৬ দিনে জোগাড় করেছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার পাউন্ড।
[৪] বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত মানুষের সহায়তায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
[৫] আমরা দবিরুল ইসলাম চৌধুরীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
[৬] সংগৃহীত অর্থ যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ প্রায় ৫০টি দেশের করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ব্যয় করা হবে বলে বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো তাদের প্রতিবেদনে জানায়।
[৭] জাস্টগিভিং ডটকমে পেজ খুলে অর্থ উত্তোলনের এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন দবিরুল ইসলাম চৌধুরী।
[৮] গার্ডিয়ান বলছে, শুধু এক হাজার পাউন্ড তোলার লক্ষ্য থাকলেও, মানুষের অভাবিত সাড়ায় উৎসাহিত হয়েছেন দবিরুল। রমজান মাসজুড়েই বাগানে হেঁটে হেঁটে তহবিল সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যেতে চান শতবর্ষী এই ব্যক্তি।
[৯] ১৯২০ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের সিলেটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন দবিরুল ইসলাম চৌধুরী। ১৯৫৭ সালে তিনি লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
[১০] দবিরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে আতিক চৌধুরী বিবিসিকে বলেছেন, শুরুতে খুবই ধীরগতিতে হাঁটা শুরু করেছিলেন তাঁর বাবা। পরে আস্তে আস্তে তিনি হাঁটার গতি বাড়িয়েছেন। সমস্যা হলো, এরপর‌ তিনি থামতেই চাচ্ছিলেন না।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়