শিরোনাম
◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২০, ০৬:০২ সকাল
আপডেট : ১৩ মে, ২০২০, ০৬:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভেন্টিলেটারের স্বল্পতা নিয়ে কান্নাকাটি করে লাভ নেই : জবি উপাচার্য

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] প্রত্যেকে নিজকে এবং অন্যকে করোনা আক্রান্ত (উপসর্গ না থাকলেও) ভেবে নিজের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেই নিবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মীজানুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ভেন্টিলেটারের স্বল্পতা নিয়ে কান্নাকাটি করে লাভ নেই।’

[৩] গতকাল সোমবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে তিনি এমন মন্তব্য করেন। উপাচার্য বলেন, ‘ভেন্টিলেটার যাদের লাগে তাদের সংখ্যা আক্রান্তদের এক থেকে দুই শতাংশ। আর যাদের লাগে তাদের মধ্যে মাত্র এক শতাংশ রোগী ফিরে আসে।’

[৪] এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘২০০৮-৯ সাল পর্যন্ত দেশে ভেন্টিলেটার ছিল মাত্র আটটা। এখন দুই হাজার হয়েছে। দেশের ৪৯ বছরের স্বাস্থ্য খাত রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। সর্বোৎকৃষ্ট মানের সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করেও ইউরোপ আমেরিকায় হাজার হাজার স্বাস্থ্য কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে। প্রত্যেকে নিজের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেকে নিতে হবে।’

[৫] ‘টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি তাৎপর্যহীন, যদি না করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইসোলেশন পাঠানো যায়। যতদিন টিকা নাগালে না আসবে ততদিন করোনাকে নিয়েই আমাদের থাকতে হবে,’ বলেন তিনি।

[৬] জবি উপাচার্য জানান, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস টেস্টের সক্ষমতা দিনে ১০ হাজার করলেও মাত্র ১০ শতাংশ লোকের টেস্ট করতে কমপক্ষে ১৬০ দিন সময় লাগবে। প্রয়োজন হবে আরও কমপক্ষে ৩০০টি পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠিত করা, যা কোনোদিনই সম্ভব নয়। ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা গেলেও টেকনিশিয়ানের অভাবে ল্যাব চালানো সম্ভব হবে না। বিগত আট বছরে বাংলাদেশ কোনো মেডিকেল টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া হয়নি।আমাদের সময়, যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়