শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জরুরি কাজে নিয়োজিতদের প্রতিদিন টেস্ট করা কি অসম্ভব?

এম জাহিদ নেওয়াজ খান : অন্তত র‌্যাপিড টেস্টটা এক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। ২৫-৩০ শতাংশ যে ফলস রেজাল্টের কথা বলা হচ্ছে, প্রতিদিন টেস্ট হলে সেই ঝুঁকি থাকবে না। অঙ্কের হিসাব বলে, প্রতি ৪ দিনে অন্তত ৩ দিন সঠিক রেজাল্ট আসবে। প্রস্তাবটা গণমাধ্যম বিশেষ করে বেসরকারি খাতের টেলিভিশন কর্মীদের জন্য, যাদের একটি অংশকে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। গণমাধ্যম কর্মীদের এ রকম টেস্টের আওতায় আনার সুপারিশ করছি, কারণ কিছু ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেছে যে, বেসরকারি খাতের এ কর্মীদের এমনকি জরুরি অবস্থাতেও হাসপাতালে নেওয়ার মতো অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না, হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা চিকিৎসাও পান না। চিকিৎসক-পুলিশসহ সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ফ্রন্টলাইনারদের জন্য তবু সরকারের পক্ষ থেকে কিছু না কিছু ব্যবস্থা আছে। কিন্তু বেসরকারি খাতের গণমাধ্যমকর্মীরা অনেকটা এতিম অবস্থায় পড়ে যাচ্ছেন। আগাম টেস্ট এক্ষেত্রে কর্মীদের কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। যেহেতু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বনি¤œ কর্মী দিয়ে অপারেশনে আছে, তাই র‌্যাপিড টেস্টের যে খরচ তা আশা করি গণমাধ্যম মালিকরা বহন করতে পারবেন। আর যিনি পারবেন না, তিনি আপাতত কর্মীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করে তার প্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ রাখতে পারেন। র‌্যাপিড টেস্টের বাইরেও গণমাধ্যম মালিক এবং তাদের সংগঠনগুলোর আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া জরুরি :
১. কেউ অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা। ২. এক বা একাধিক হাসপাতাল নিশ্চিত করা যেখানে চিকিৎসকরা গণমাধ্যমকর্মীদের চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেবেন। ৩. কেউ অসুস্থ হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার চিকিৎসার খরচ বহন করবে। ৪. অন্য সাধারণ ছুটির সময় গণমাধ্যমগুলো যেমন বিশেষ ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে ওভারটাইম ভাতা দিয়ে থাকে, তেমনি ২৬ মার্চ থেকে যে সাধারণ ছুটি চলছে তার সঙ্গে মিল রেখে কর্মীদের ওভারটাইম ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. এর সঙ্গে তাদের ঝুঁকিভাতাও দিতে হবে, কারণ গণমাধ্যম কর্মীরা এখন নিজের এবং পরিবারের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন। ৬. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য নিয়মিত যে বীমা আছে তার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে তাদের জন্য আলাদা আরেকটি বীমার ব্যবস্থা করতে হবে। ৭. দুঃখজনকভাবে কোনো গণমাধ্যমকর্মীর মৃত্যু হলে, সরকারি ঘোষণার সঙ্গে মিল রেখে তার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা রাখতে হবে। ৮. যেসব প্রতিষ্ঠানে বেতন বকেয়া আছে, সেগুলোতে যতো দ্রুত সম্ভব বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। গণমাধ্যম কর্মীদের সংগঠনগুলো কি এসব বিষয় নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগী হবে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়