শিরোনাম
◈ আচরণবিধি চূড়ান্ত, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি ◈ ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যেভাবে হয়েছিল ◈ উদ্যোক্তা হতে তরুণদের জন্য সহজ ঋণ, জামানত ছাড়াই মিলবে ১০ লাখ টাকা ◈ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২২৪, এখনও চলছে খোঁজ ◈ আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে সিটিটিসি, যা জানাল পুলিশ (ভিডিও) ◈ দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি ◈ আরেক দফা বাড়লো তেলের দাম ◈ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে বায়োমেট্রিকসহ ১২ দফা নির্দেশনা

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জরুরি কাজে নিয়োজিতদের প্রতিদিন টেস্ট করা কি অসম্ভব?

এম জাহিদ নেওয়াজ খান : অন্তত র‌্যাপিড টেস্টটা এক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। ২৫-৩০ শতাংশ যে ফলস রেজাল্টের কথা বলা হচ্ছে, প্রতিদিন টেস্ট হলে সেই ঝুঁকি থাকবে না। অঙ্কের হিসাব বলে, প্রতি ৪ দিনে অন্তত ৩ দিন সঠিক রেজাল্ট আসবে। প্রস্তাবটা গণমাধ্যম বিশেষ করে বেসরকারি খাতের টেলিভিশন কর্মীদের জন্য, যাদের একটি অংশকে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। গণমাধ্যম কর্মীদের এ রকম টেস্টের আওতায় আনার সুপারিশ করছি, কারণ কিছু ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেছে যে, বেসরকারি খাতের এ কর্মীদের এমনকি জরুরি অবস্থাতেও হাসপাতালে নেওয়ার মতো অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না, হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা চিকিৎসাও পান না। চিকিৎসক-পুলিশসহ সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ফ্রন্টলাইনারদের জন্য তবু সরকারের পক্ষ থেকে কিছু না কিছু ব্যবস্থা আছে। কিন্তু বেসরকারি খাতের গণমাধ্যমকর্মীরা অনেকটা এতিম অবস্থায় পড়ে যাচ্ছেন। আগাম টেস্ট এক্ষেত্রে কর্মীদের কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে। যেহেতু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বনি¤œ কর্মী দিয়ে অপারেশনে আছে, তাই র‌্যাপিড টেস্টের যে খরচ তা আশা করি গণমাধ্যম মালিকরা বহন করতে পারবেন। আর যিনি পারবেন না, তিনি আপাতত কর্মীদের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করে তার প্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ রাখতে পারেন। র‌্যাপিড টেস্টের বাইরেও গণমাধ্যম মালিক এবং তাদের সংগঠনগুলোর আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া জরুরি :
১. কেউ অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা। ২. এক বা একাধিক হাসপাতাল নিশ্চিত করা যেখানে চিকিৎসকরা গণমাধ্যমকর্মীদের চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেবেন। ৩. কেউ অসুস্থ হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান তার চিকিৎসার খরচ বহন করবে। ৪. অন্য সাধারণ ছুটির সময় গণমাধ্যমগুলো যেমন বিশেষ ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে ওভারটাইম ভাতা দিয়ে থাকে, তেমনি ২৬ মার্চ থেকে যে সাধারণ ছুটি চলছে তার সঙ্গে মিল রেখে কর্মীদের ওভারটাইম ভাতা নিশ্চিত করতে হবে।
৫. এর সঙ্গে তাদের ঝুঁকিভাতাও দিতে হবে, কারণ গণমাধ্যম কর্মীরা এখন নিজের এবং পরিবারের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন। ৬. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য নিয়মিত যে বীমা আছে তার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে তাদের জন্য আলাদা আরেকটি বীমার ব্যবস্থা করতে হবে। ৭. দুঃখজনকভাবে কোনো গণমাধ্যমকর্মীর মৃত্যু হলে, সরকারি ঘোষণার সঙ্গে মিল রেখে তার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা রাখতে হবে। ৮. যেসব প্রতিষ্ঠানে বেতন বকেয়া আছে, সেগুলোতে যতো দ্রুত সম্ভব বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। গণমাধ্যম কর্মীদের সংগঠনগুলো কি এসব বিষয় নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগী হবে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়