শিরোনাম
◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর ◈ ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি ◈ বাংলাদেশে ঈদ কবে? যা জানাগেল ◈ মিসাইল নেই বলছে যুক্তরাষ্ট্র, এত ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কীভাবে ছুড়ছে ইরান, কৌশল কী? ◈ ক্ষমতায় এক মাস: সামাজিক সুরক্ষা থেকে অর্থনীতি, ২৮ দিনে ২৮ বড় উদ্যোগ সরকারের ◈ গণভোটের রায় মানা নিয়ে বেকায়দায় সরকার, আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি বিরোধী দলের ◈ ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু পার হলো ৩৫ হাজার যানবাহন, টোল আদায় ৩ কোটি ছাড়াল

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৩:৪৬ রাত
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৩:৪৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]আইসোলেশন, লকডাউন সবই ছিল তিন হাজার বছর আগের আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে

বিশ্বজিৎ দত্ত : [২] চরক সংহিতায় বিমানস্থান তৃতীয় অধ্যায়ে এপিডেমিক বা ‘জনপদ ধ্বংসনীয় বিমান’ নামের একটি অংশ রয়েছে। শ্লোকে বলা হয়েছে, ‘রাসায়নানাং বিধিবচ্চোপযোগঃ প্রশস্যতে’। অর্থাৎ রোগ প্রতিবিধানে বার বার গরম জলে স্নান ও নিজেকে রাসায়নিক দিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখলে ও রাসায়নিক ওষুধ প্রয়োগ করলে ভাইরাসকে মেরে ফেলা সহজ হয়। সূত্র আনন্দ বাজার

[৩] ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রের ‘অষ্টাঙ্গহৃদয়’-এর শ্লোকে ২১ দিনের লকডাউনের বিষয়টিও স্পষ্ট করা আছে। সেখান ৬৫ নম্বর শ্লোকে লেখা রয়েছে, ‘একবিংশোতিরাত্রেন বিষং শ্যাম্যতি সর্বথা’। অর্থাৎ যে কোনও বিষের (জীবাণু) প্রভাব কমে ২১তম দিনে। অর্থাৎ, বিষ বা জীবাণুতে আক্রান্ত রোগীকে ২১ দিন ঘরবন্দি রাখলে সে বিষ আর বাইরে সংক্রামিত করতে পারে না।

[৪]চরক সংহিতা’র টিকাকার চক্রপানি দত্ত রোগের তিন প্রকার কারণসমূহ বলেছেন। তার মধ্যে অন্যতম, ‘অভিষঙ্গজ হেতু’। অর্থাৎ ভাইরাসের আক্রমণ। এই অভিষঙ্গজ বিষয়ে ‘সুশ্রুত সংহিতা’-র ৬ নং অধ্যায়ের ৩২ ও ৩৩ নম্বর শ্লোকে বলা হয়েছে, ‘‘প্রসঙ্গাদ গাত্রসংস্পর্শাৎ নিশ্বাসাৎ সহভোজনাৎ।/ সহশয্যাসনশ্চাপি বস্ত্রমাল্যানুলেপনাৎ।।’’ অর্থাৎ ভাইরাস আক্রান্তকে ছোঁয়ার মাধ্যমে, তার হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের মাধ্যমে, তাঁর সঙ্গে বসবাস, একই থালায় খাওয়া, একই বিছানায় শোওয়ার মতো কাজ করলে সুস্থ মানুষও তাঁর সংস্পর্শে এসে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। এই শ্লোকেই শেষের দিকের পঙ্িক্ততে বলা হয়েছে, ‘‘ঔপসর্গিক রোগশ্চ সংক্রমন্তি নরানরং।’’ অর্থাৎ, উপসর্গগুলি এক জনের থেকে অন্য জনে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

[৫]চরক সংহিতায় তিন প্রকার ইমিউনিটি-র (আয়ুর্বেদের ভাষায় ‘বল’) কথা রয়েছে বলমিতি সহজং, কালজং ও যুক্তিবৃতঞ্চ। যে কোনও ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে দেহের জন্মগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, কাল বা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অর্জিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও টিকার মাধ্যমে অর্জিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়