শিরোনাম
◈ ভারতে বসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ছক কষছেন নির্বাসিত আওয়ামী লীগ সদস্যরা: দ্য গার্ডিয়ান ◈ জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক ◈ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যে কারণে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী (ভিডিও) ◈ সম্পদের হিসাবে শীর্ষে যে ১০ প্রার্থী: হলফনামার তথ্য ◈ নতুন আইসিসি গঠনের দাবি পা‌কিস্তা‌নের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের ◈ ভোটের পর নতুন সরকারের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ আসলে কোনগুলো ◈ পে স্কেল বাস্তবায়নে সময় লাগবে, তবে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয়: সালেহউদ্দিন আহমেদ ◈ এস আলমের মামলায় ব্রিটিশ ল ফার্ম নিয়োগ, ঘণ্টায় ব্যয় দেড় লাখ টাকা ◈ নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান ◈ সরকারী আদেশে বিমানের নতুন এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন হুমায়রা সুলতানা

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাভাইরাস : বাচ্চাদের মানসিক চাপ

জিয়ানুর কবির : করোনাভাইরাসের কারণে আমরা সবাই বাসায় অবরুদ্ধ হয়ে আছি। বড়দের সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চারাও তাদের স্কুল কোচিংসহ সব কাজকর্ম বন্ধ থাকার কারণে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। যেকোনো দুর্যোগের সময় মানসিক চাপ সবার মধ্যেই থাকে। তবে শিশুরা বড়দের চাইতে ভিন্নভাবে মানসিক চাপের প্রতিক্রিয়া করে। নিজেদের মানসিক চাপের পাশাপাশি বড়দের মানসিক চাপ দেখেও তাদের মানসিক চাপ বাড়ে। অনেক বাচ্চারাই বাবা-মাকে প্রশ্ন করে, তারা সারদিন কী করবে? কী করে সময় কাটাবে? কাদের সঙ্গে খেলবে? তোমরা আমার সঙ্গে খেলবে কিনা? বাবা-মাও মানসিক চাপে থাকার কারণে তাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেন না। বাবা-মাকে বাচ্চারা সারাদিন বাসায় দেখে অভ্যস্ত না থাকার কারণে তাদের প্রতি চাহিদাও বেড়ে যায়। এ সময় বাচ্চাদের রুটিনে ব্যাপক গোলমাল হয়, খাবার সময়, খেলার সময়, ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘুম থেকে উঠার সময়ের ইত্যাদি। বাচ্চারা চাপের প্রতিক্রিয়ায় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করে, অস্থির থাকে, রাগ করে, জেদের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে, সহজেই কান্নাকাটি করে, বাবা-মায়ের মনোযোগ পেতে চায়, অনেক বাচ্চার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তারা মানসিক চাপ হতে মুক্ত হতে ইম্পালসিভ আচরণ করে, অতিরিক্ত চঞ্চল হয়ে পড়ে, তাদের মনোযোগের সমস্যা হতে পারে। অনেক বাচ্চার মধ্যে বিষণœতা দেখা যায়, কিছু বাচ্চার আগে যে কাজগুলো করতে ভালো লাগতো সে সব কাজও তারা অ্যাভয়েড করে। লেখক : জিয়ানুর কবির, প্রাক্টিসিং ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, কল্যাণ মানসিক হাসপাতাল, কল্যাণপুর, ঢাকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়