শিরোনাম
◈ শেষ পর্যন্ত থামেনি উত্তেজনা, ২–২ ড্রয়ে শেষ জাপান-নেদারল্যান্ডস লড়াই ◈ গভীর রাতে টেকনাফে গুলিবর্ষণ, আতঙ্কে নির্ঘুম জুম্মাপাড়ার মানুষ ◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি! ◈ লন্ডন থেকে যাত্রাপথে দুবাইয়ে এআই ফেস রিকগনিশনে ধরা পড়লেন বেনজীর! শনাক্তকরণ নিয়ে চাঞ্চল্য ◈ দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ◈ জামায়াতের দুই নারী সদস্যকে নিয়ে মন্তব্য করায় আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও) ◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছেন, যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই

আব্দুন নূর তুষার : পিপিই নামক ‘স্পেসস্যুট’টা পরে যেভাবে সবাই বাইরে ঘুরছেন তাদের বলি, এটা এভাবে ব্যবহার করে না। এটা ব্যবহারের নিয়ম আছে। কারা কোনো ধরনের পিপিই ব্যবহার করবে এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা আছে। কে নিজের টাকায় পিপিই কিনলেন আর কে অন্যের টাকায় সেটা দিয়ে কিছু আসে যায় না। কারণ এটা পরতে খুলতে না জানলেও বিপদে পড়বেন। ফেলার সময়ও বিপদে পড়বেন। সারা দুনিয়াতে মাস্কসহ সব ধরনের পিপিইর সংকট আছে। শুধু তাই নয়, এটা পরে বাইরে ঘুরে বাড়ি ফেরার সময় আপনি সব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এটা খোলার সময় ও আবার পরার সময়ও একইভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। শুধু তাই নয় পিপিইগুলো ডিসপোজেবল। এগুলো বায়োসেফটি প্রটোকল মেনে বর্জ্য হিসেবে ফেলতে হয়। সেটা কি করতে পারছেন? অনেকে এগুলো ধুয়ে পরার প্ল্যান করছেন বা পরছেন। তাদের বিপদ আরও বেশি। শুধু তাই নয়, সব লেভেলের ডাক্তারদের বা নার্সদেরও এই স্পেসস্যুট পিপিই লাগে না।
কেবল যারা সরাসরি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসেন বা তাদের উপরে প্রসিডিওর করেন, যেমন ভেন্টিলেটরে তোলা, নল দেওয়া, তাদের জন্য ফুল পিপিই স্যুট দরকার। অবস্থা এমন হয়েছে যে সামনের ঈদে জরি বসানো পিপিই পাঞ্জাবি আর পিপিই লেহেঙ্গা পাওয়া যাবে। দেশি অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় , প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছে যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই। তাই দয়া করে হুদাই স্বাস্থ্যকর্মীর জিনিস নিজে পরার চেষ্টা করে আরও বড় বিপদে পড়বেন না। পিপিই পরে আছি ভাবলে মানুষ একধরনের নিরাপত্তা বোধ করে, যার জন্য সে যেখানে সেখানে চলে যায়। যেকোনো কিছু ধরে। এতে তার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে। তাই দয়া করে সতর্ক হোন। পয়সা থাকলে বরং ভালো পিপিই কিনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে দান করুন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়