শিরোনাম
◈ বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক, গবেষণায় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ঢাকায় অটোরিকশা-ই-বাইক চলাচলে নতুন নিয়ম, ৮ জোনে আলাদা রং ও নির্দিষ্ট সংখ্যা ◈ কিডনি-লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টে নতুন সুযোগ, নিকটাত্মীয়ের বাইরে ‘ইমোশনাল ডোনার’ নিয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে যা আছে ◈ ১০২ ডিগ্রি জ্বরের স্ত্রীর কাছে পরোটা-মাংসের আবদার, সমালোচনার মুখে যা বললেন মুকিত জাকারিয়া ◈ বিদেশগামীদের ডলার কেনার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক, মানি চেঞ্জারে মিলবে ৩ হাজার মার্কিন ডলার ◈ ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক আইন মানবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ আওয়ামী লীগের বিচার ও ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া কি সম্ভব ‘রিকনসিলিয়েশন’? যা বললেন বিশেষজ্ঞরা ◈ ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস; ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০ কূপের লক্ষ্য ◈ জেলখানায় গণ্ডগোলের ছকে আ.লীগ, শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন গোলমালে দিল্লি ◈ স্ক্যামার নাকি ভিকটিম? 'স্ক্যাম সিটি'র অন্ধকার দুনিয়া, মিয়ানমারের সাইবার ক্রীতদাসদের গল্প (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছেন, যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই

আব্দুন নূর তুষার : পিপিই নামক ‘স্পেসস্যুট’টা পরে যেভাবে সবাই বাইরে ঘুরছেন তাদের বলি, এটা এভাবে ব্যবহার করে না। এটা ব্যবহারের নিয়ম আছে। কারা কোনো ধরনের পিপিই ব্যবহার করবে এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা আছে। কে নিজের টাকায় পিপিই কিনলেন আর কে অন্যের টাকায় সেটা দিয়ে কিছু আসে যায় না। কারণ এটা পরতে খুলতে না জানলেও বিপদে পড়বেন। ফেলার সময়ও বিপদে পড়বেন। সারা দুনিয়াতে মাস্কসহ সব ধরনের পিপিইর সংকট আছে। শুধু তাই নয়, এটা পরে বাইরে ঘুরে বাড়ি ফেরার সময় আপনি সব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এটা খোলার সময় ও আবার পরার সময়ও একইভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। শুধু তাই নয় পিপিইগুলো ডিসপোজেবল। এগুলো বায়োসেফটি প্রটোকল মেনে বর্জ্য হিসেবে ফেলতে হয়। সেটা কি করতে পারছেন? অনেকে এগুলো ধুয়ে পরার প্ল্যান করছেন বা পরছেন। তাদের বিপদ আরও বেশি। শুধু তাই নয়, সব লেভেলের ডাক্তারদের বা নার্সদেরও এই স্পেসস্যুট পিপিই লাগে না।
কেবল যারা সরাসরি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসেন বা তাদের উপরে প্রসিডিওর করেন, যেমন ভেন্টিলেটরে তোলা, নল দেওয়া, তাদের জন্য ফুল পিপিই স্যুট দরকার। অবস্থা এমন হয়েছে যে সামনের ঈদে জরি বসানো পিপিই পাঞ্জাবি আর পিপিই লেহেঙ্গা পাওয়া যাবে। দেশি অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় , প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছে যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই। তাই দয়া করে হুদাই স্বাস্থ্যকর্মীর জিনিস নিজে পরার চেষ্টা করে আরও বড় বিপদে পড়বেন না। পিপিই পরে আছি ভাবলে মানুষ একধরনের নিরাপত্তা বোধ করে, যার জন্য সে যেখানে সেখানে চলে যায়। যেকোনো কিছু ধরে। এতে তার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে। তাই দয়া করে সতর্ক হোন। পয়সা থাকলে বরং ভালো পিপিই কিনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে দান করুন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ