শিরোনাম
◈ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবেন হেফাজত নেতারা ◈ স্বর্ণ চোরা চালানের জাল তিন দেশে ◈ আমাদের অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর: স্পিকার (ভিডিও) ◈ হামলার আশঙ্কা: সৌদি আরবের দুই এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি ◈ এলসি খোলার বাধ্যবাধকতা থাকছে না, চুক্তিতে আমদানির সুযোগ ◈ ৭ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা ◈ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে কে গুলি করেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানালেন মোজাফফর ◈ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে ◈ চীনের দিকে ঢাকার ঝোঁক, কমছে ভারতের ওপর নির্ভরতা: নতুন কৌশলগত ভারসাম্যের পথে বাংলাদেশ ◈ দেশে উৎপাদন সম্ভব, এমন কৃষিপণ্যের আমদানি কমাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছেন, যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই

আব্দুন নূর তুষার : পিপিই নামক ‘স্পেসস্যুট’টা পরে যেভাবে সবাই বাইরে ঘুরছেন তাদের বলি, এটা এভাবে ব্যবহার করে না। এটা ব্যবহারের নিয়ম আছে। কারা কোনো ধরনের পিপিই ব্যবহার করবে এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা আছে। কে নিজের টাকায় পিপিই কিনলেন আর কে অন্যের টাকায় সেটা দিয়ে কিছু আসে যায় না। কারণ এটা পরতে খুলতে না জানলেও বিপদে পড়বেন। ফেলার সময়ও বিপদে পড়বেন। সারা দুনিয়াতে মাস্কসহ সব ধরনের পিপিইর সংকট আছে। শুধু তাই নয়, এটা পরে বাইরে ঘুরে বাড়ি ফেরার সময় আপনি সব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এটা খোলার সময় ও আবার পরার সময়ও একইভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। শুধু তাই নয় পিপিইগুলো ডিসপোজেবল। এগুলো বায়োসেফটি প্রটোকল মেনে বর্জ্য হিসেবে ফেলতে হয়। সেটা কি করতে পারছেন? অনেকে এগুলো ধুয়ে পরার প্ল্যান করছেন বা পরছেন। তাদের বিপদ আরও বেশি। শুধু তাই নয়, সব লেভেলের ডাক্তারদের বা নার্সদেরও এই স্পেসস্যুট পিপিই লাগে না।
কেবল যারা সরাসরি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে আসেন বা তাদের উপরে প্রসিডিওর করেন, যেমন ভেন্টিলেটরে তোলা, নল দেওয়া, তাদের জন্য ফুল পিপিই স্যুট দরকার। অবস্থা এমন হয়েছে যে সামনের ঈদে জরি বসানো পিপিই পাঞ্জাবি আর পিপিই লেহেঙ্গা পাওয়া যাবে। দেশি অনেকেই যেখানে সেখানে রেইনকোটের কাপড় , প্লাস্টিক দিয়ে পিপিই বানাচ্ছে যার কোনো বায়োসেফটি স্ট্যান্ডার্ড বা সার্টিফিকেশন নেই। তাই দয়া করে হুদাই স্বাস্থ্যকর্মীর জিনিস নিজে পরার চেষ্টা করে আরও বড় বিপদে পড়বেন না। পিপিই পরে আছি ভাবলে মানুষ একধরনের নিরাপত্তা বোধ করে, যার জন্য সে যেখানে সেখানে চলে যায়। যেকোনো কিছু ধরে। এতে তার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়ে। তাই দয়া করে সতর্ক হোন। পয়সা থাকলে বরং ভালো পিপিই কিনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে দান করুন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ