প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকার, প্রশাসন বড় ধরনের পাবলিক রিঅ্যাকশন হলে সে ঘটনার দায়দায়িত্ব নেয় না

ডা. মো. তাজুল ইসলাম : যে এসিল্যান্ড নারীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় তুলেছে তাতে তার কুশিক্ষা, পারিবারিক শিক্ষার অভাব, বিসিএস রিক্রুটমেন্টে অন্তঃসারশূন্য মুখস্থ বিদ্যার কথা অনেকে বলেছেন। কিন্তু এ সব ছিলো প্রথাগত ধারণাভিত্তিক। তার পারিবারিক শিক্ষা খারাপ ছিলো, তিনি কম মেধাবী, তিনি আগ থেকেই অভদ্রÑ এ সব কি কেউ প্রমাণ দিতে পারবেন? বরং তিনি বিসিএসে ৪র্থ হয়েছিলেন। আমার মতামত হচ্ছে এটি বরং রাজনৈতিক ও আমলা নীতির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। তারা শিখে ফেলেছে যে কর্মজীবনে তরতর করে উন্নতি করতে হলে ‘কাম’ (কর্ম) দেখাতে হবে। প্রভুদের তুষ্ট করতে, মনোযোগ কাড়তে তারা ‘ওভার ডো’ করার চেষ্টা করে। তারা জনগণ কী ভাববে বা এটা অমানবিক হবে কিনা তার চেয়ে বেশি ভাবে এলাকায় সে তার তথাকথিত দায়িত্ব কতোটুকু দৃঢ়তা ও ওবিডিয়েন্ট (দাস/দাসীর) মতো করলো।
কিন্তু তারা ভুলে যায় যাদের খুশি করতে তারা মরিয়া, বিপদে পড়লে তারাই তাকে প্রথম বলীর শিকার করবে। সরকার, প্রশাসন বড় ধরনের পাবলিক রিঅ্যাকশন হলে সে ঘটনার দায়দায়িত্ব নেয় না। তখন ওই অতি করিৎকর্মা কর্মকর্তাকেই এর পুরো দায় নিয়ে ওএসডি হতে হয়। (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তেমন পাবলিক রিঅ্যাকশন হয় না, প্রচার হয় না বলে। তখন কিন্তু তারাই প্রমোশন পায়, বাহবা পায় তাদের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে)। জয় ফেসবুকের, এর কল্যাণেই এসব তাঁবেদারদের আমরা চিনতে পারছি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত