প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আনসার আল ইসলামের অর্থ শাখার ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

সুজন কৈরী: [২] রাজধানীর দারুস সালাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর এলাকায় বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মো. মোতাহার হোসেন ওরফে জামিল হাসান (৩৪), মো. মুরশিদুল আলম ওরফে শিহাদ ওরফে মুরশিদ (৩৩) ও সাইফুর রহমান (২২)।

[৩] র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জঙ্গি সংগঠনের বিভিন্ন ধরনের উগ্রবাদী বই, লিফলেট, ডিজিটাল কনটেন্টসহ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

(৪) র‌্যাব-৪ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মোতাহার আনসার আল ইসলামের নরসিংদী জেলার আমির পর্যায়ের একনিষ্ঠ সদস্য। বর্তমানে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের জন্য টাকা সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন কর্মীর মাধ্যমে টাকা সংগ্রহের পর ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা করে দেশে ও বিদেশে সংগঠনের কাছে টাকা সরবরাহের জন্য ২ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করা আবু জান্দাল নামের ব্যাক্তির কাছে টাকা পাঠাচ্ছিলেন। তার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত ৪/৫ লাখ টাকা পাঠানোর তিনটি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি দেশের ভিতরে এবং বাহিরে জঙ্গি অর্থায়নে জড়িত। তার সঙ্গে দেশ-বিদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফেসবুক ছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রম চালু রাখতেন। তিনি আনসার আল ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচিত হন এবং নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছিলেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী ডিজিটাল কন্টেন্ট পাওয়া গেছে।

[৫] গ্রেপ্তার মুরশিদুল বিভিন্ন অ্যাপস্ ব্যবহার করে আনসার আল ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে পরিচিত হন এবং নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী ডিজিটাল কন্টেন্ট পাওয়া গেছে।

[৬] গ্রেপ্তার সাইফুর রহমানের ভগ্নীপতি লোকমান আহমেদ দেশের বাহিরে অবস্থানরত আনসার আল ইসলামের অন্যতম সদস্য। তিনি প্রবাসে অবস্থান করে বাংলাদেশের আনসার আল ইসলামের বিভিন্ন সদস্যদের কাছ থেকে টাকা/চাঁদা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সংগ্রহ করে শ্যালকের কাছে জমা রাখতেন।

[৭] র‌্যাব কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা কথিত খেলাফত প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতাকারীদের ওপর আকস্মিক আক্রমন করে টার্গেট কিলিং করে থাকে। নিয়মিত ভাবে তাদের সদস্যদের কাছ থেকে মেহেনতের মাধ্যমে ইয়ানত সংগ্রহ করে। এই দলের সদস্যরা এন্ড্রয়েড মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রটেক্টিভ অ্যাপস্ ব্যবহার করে বিভিন্ন গোপন গ্রুপ তৈরি করে উগ্রবাদী সংবাদ, বই, উগ্রাবাদী ব্লগ, উগ্রবাদে উৎসাহমূলক ভিডিও আপলোড ও শেয়ার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করছিল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত