প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ উন্নত দেশের নিকট করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরঞ্জাম চাইলো আইইডিসিআর

শাহীন খন্দকার: [২] দেশে নতুন করে আর কোনো করোনোভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক আইইডিসিআর। সোমবার রাজধানীর আইইডিসিআরের কার্যালয়ে নিয়মিত প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানালেন তিনি।

[৩]আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, রোববার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দেশে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে তাদের কারোর মধ্যেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। অর্থ্যাৎ এখন পর্যন্ত সর্বমোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা তিনজনই।

[৪]তিনি আরও বলেন, এপর্যন্ত করোনা হটলাইনে ৫০৯টি ফোন পেয়েছি। এর মধ্যে ৪৪৯টি করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত। পরে চারজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের বিশ্ব পরিস্থিতি সোমবার পর্যন্ত দেশের সংখ্যা ১০২টি। নতুনভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৮টি দেশ। সারা বিশ্বে কারোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৫৫৯ জন। রোববার বিকেলে দেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগী শনাক্তের কথা জানায় আইইডিসিআর। করোনা আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুইজন ইতালি ফেরত এবং একজন দেশে ছিলেন।

[৫] মার্চের মাঝামাঝি উহানে নতুন রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আশা করছেন চীনা চিকিৎসকরা। ফলে শিগগির ওই অঞ্চলের অবরুদ্ধ অবস্থার অবসান ঘটবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। এক মাসের বেশি সময় ধরে কার্যত অবরুদ্ধ ছিল হুবেইর সাড়ে ৫ কোটি মানুষ। কিন্তু চীনের বাইরে প্রতিদিনই নতুন নতুন দেশে এ ভাইরাসের সংক্রমণের তথ্য আসছে। দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভারতে বাড়ছে নতুন রোগীর সংখ্যা।

[৬] সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ফ্লুর মতো উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে কোভিড-১৯। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখন পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুরহার ৩.৪ শতাংশ, যেখানে মৌসুমি ফ্লুতে মৃত্যুর হার থাকে ১ শতাংশের নিচে। বিশ্ব শাস্থ্য সংস্থা প্রতিনিধি বারদান জান রানা বলেন, আতঙ্কিত হবার কিছু নাই অনেক দেশই আক্রান্ত হয়েছে। এই রোগ প্রতিরোধে শুধু সরকার একা নয় সবাই কে এক হয়ে কাজ করতে হবে। জনসম্প্রিক্ততা এখন বেশি প্রয়োজন এবং গনমাধ্যমকে ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, চীনে যে গতিতে সংক্রমণ ছড়িয়েছে, চীনের বাইরে এই সংক্রমণ ১৭ গুণ বেশি। পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস অ্যাডানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন,এ ভাইরাসকে যে কোনো উপায়ে ঠেকাতে হবে। এটা আত্মসমর্পণের সময় নয়।কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই কঠিন পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত