শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে গিয়ে ইউরোপ-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল: বাণিজ্যে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ ◈ ভূমিকম্পে ঢাকার কোন এলাকা নিরাপদ? ◈ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না, সবাই দোয়া করবেন: আইন উপদেষ্টা ◈ গুগলকে কনটেন্ট সরাতে অনুরোধের সংখ্যা নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা ◈ জামায়াতকে ভোট দিলে আমার মৃতদেহ পাবেন : ফজলুর রহমান (ভিডিও) ◈ প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ◈ বাংলাদেশ সিরিজ স্থগিত করে শ্রীলঙ্কা নারী দল‌কে আমন্ত্রণ ভারতের ◈ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি বার্তা ◈ এক শতক পর আবারও কি সিলেট ঝুঁকিতে? ডাউকি ফল্টে ভূমিকম্পের ধাক্কা! ◈ সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ৯ নেতা

প্রকাশিত : ০৯ মার্চ, ২০২০, ০২:২৯ রাত
আপডেট : ০৯ মার্চ, ২০২০, ০২:২৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]চুয়েটে আইসিটি ইনকিউবেটরের মাধ্যমে দেশেই তৈরি হবে বিশ্বমানের গবেষণা ও সৃজনশীল উদ্যোক্তা

এস. ইসলাম জয় : [২] তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশীয় সক্ষমতা যুগোপযোগী করতে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে (চুয়েট) প্রথম ‘শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। চুয়েটে ৫ একর জমির উপর এ বিজনেস ইনকিউবেটর নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি নির্মাণ করা হলে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে। সেই সাথে আইটি শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজের ব্যাপক সুযোগ পাবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের সম্বনয় ঘটবে। যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

[৩] সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জুন ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। নানা জটিলতায় থেমে যায় প্রকল্পে কাজ। পরবর্তী সময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতায় কাজ শুরু হয়। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ২০২১ সালের জুন মাসে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া কথা রয়েছে।

[৪] এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ তলা ভবনের প্রতি ফ্লোরে ৫ হাজার বর্গফুট করে মোট ৫০ হাজার বর্গফুট স্পেস থাকবে। ৪ তলা করে ২টি ডরমেটরি ভবন, ৬ তলা মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন তৈরি হবে।

[৫] এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ জহুরুল ইসলাম বলেন, একনেকে অনুমোদনের পর প্রকল্পটির বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩০ শতাংশ যা টাকার অঙ্কে ২২ কোটি টাকা। প্রকল্পটি যথা সময়ে বাস্তবায়ন শেষ হবে বলেন জানান তিনি। এছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষ হলে এ বিশ^বিদ্যালয়ের স্নাতকধারীরা বিভিন্ন কোম্পানি ও আইটি ফার্মের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবে। আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত হবে এবং নতুন নতুন ইনোভেশনে সহায়তা পেলে আমাদের সন্তানরাই প্রযুক্তিখাতে বিপ্লব ঘটবে। এর ফলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশীয় সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়