শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:৪২ সকাল
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভাসানচর পরিকল্পনা আরও ভালো করে বুঝতে চায় জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক : [২] প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সমীক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করছে সংস্থাটি। একই সাথে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হলেও, মূল ভূখন্ডের সাথে চলাচলে স্বাধীনতা চায় জাতিসংঘ। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের চাহিদার ওপর গুরুত্ব দেয়া জরুরি। চ্যানেল২৪

[৩] কক্সবাজার থেকে নোয়াখালির হাতিয়ার ভাষাণচরে ১ লাখ রোহিঙ্গা সরিয়ে নেয়ার আলোচনা চলছে অনেকদিন ধরেই। উদ্দেশ্য উখিয়া ও কুতুপালং ক্যাম্প এবং স্থানীয়দের উপর থেকে চাপ কমানো। এরইমধ্যে ভাষানচরে বানানো হয়েছে দেড় হাজারের মতো কক্ষ। যেখানে প্রতিটিতে থাকতে পারবেন ৪ জন করে। পানি ও পয়ঃনিস্কাসনের ব্যবস্থা ছাড়াও নির্মাণ করা হয়েছে স্কুল, মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টার। প্রাকৃতিক দুযোর্গ থেকে রক্ষায় তৈরি করা হয়েছে ১২ কিলোমিটার বাধ।

[৪] তবে এসবই যথেষ্ট নয়। ভাষাণচরকে রোহিঙ্গাদের জন্য আরো বসবাসযোগ্য করতে রাস্তাঘাট, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার, ডিপ টিউবয়েল, বায়ো-গ্যাস এবং বর্জ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতসহ জাতিসংঘকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে সরকার।

[৫] এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ষ্পষ্ট করেছে জাতিসংঘ। জয়েন্ট রেনসপন্স প্ল্যান কিংবা যৌথ পরিকল্পনা ২০২০তে তারা বলেছে, সরকারের ভাষানচর পরিকল্পনা আরো ভাল করে বুঝতে চায় তারা। এজন্য দরকার হবে কারিগরী সমীক্ষার। এতে ভাষানচর রোহিঙ্গাদের জন্য কতটা টেকসই হবে তার একটি চিত্র উঠে আসবে বলে, মনে করছে সংস্থাটি। এই চরে রোহিঙ্গারা কতটা স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে, তাও বুঝতে চায় জাতিসংঘ। মূল ভূখন্ড বিশেষ করে কক্সবাজারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষায় রোহিঙ্গারা কতটা সক্ষম, সেটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেই সরকারের সাথে কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করবে জাতিসংঘ।

[৬] আইওএম ও মনে করে মূল ভূখন্ডের সাথে রোহিঙ্গাদের যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্লেষকদের মতে, রোহিঙ্গারা আসলেই কি চায়, তা সরকার কিংবা জাতিসংঘ কেউই ভাবছে না।

[৭] আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, রোহিঙ্গারা কতটা নিয়মিতভাবে নিজেদের কমিটির সাথে দেখা-সাক্ষাত করতে পারছে সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি তাঁদের জীবন যাপনের জন্য প্রতিদিনের প্যোজনীয় সবগুলো বিষয় কিভাবে আয়োজন করা হয়েছে সেটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

[৮] শরণার্থী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, এই পুরো পরিকল্পনার মধ্যে পরিকল্পনাহীনতার একটা ছাপ হচ্ছে যে, রোহিঙ্গাদের অবস্থান কি, তাঁরা কিভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারে সেটা কেউ স্পষ্ট করে বলেনি।

[৯] আগামী ৩ মার্চ জেনেভায় যৌথ পরিকল্পনা ঘোষণা করবার কথা রয়েছে।

  • সর্বশেষ