শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক ◈ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ◈ ইতালি রোমের আলোচিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন নগরবাউল জেমস! ◈ ডলারের দাম অপরিবর্তিত, সপ্তাহজুড়ে ওঠানামা পাউন্ড-ইউরোসহ অন্যান্য মুদ্রায় ◈ বিলের পানিতে হাঁস পালন করে বদলাচ্ছে নড়াইলের তরুণদের ভাগ্য, ডিমের বাজার ২২ কোটি টাকা! ◈ ‘ভুয়া’ খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিল ভারতীয় হাইকমিশন ◈ পরিবারের বড় ছেলে, যার কাঁধে অনেক দায়িত্ব: মির্জা ফখরুলকে নিয়ে জামাতা ফাহাম

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৩৯ রাত
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৭০ বছরের বৃদ্ধার ঘাড়ে ছেলে ও নাতি-নাতনির ভার

নিউজ ডেস্ক : বাড়ি তো নয় পাখির বাসা-ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলে ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানিরা থাকে বছর ভরে।
পেটটি ভরে পায় না খেতে, বুকের ক’খান হাড়,
সাক্ষী দেছে অনাহারে কদিন গেছে তার।

পল্লীকবি জসিম উদ্দিনের কবিতার সেই আসমানিই যেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজলার পশ্চিম পোমকাড়া গ্রামে বিশম্ভর মজুমদারের স্ত্রী গীতা মজুমদার।ডেইলি বাংলাদেশ

স্বামীর মৃত্যুর পর নিজেই টেনে চলেছেন সংসারের ঘানি। ৭০ বছর বয়সেও বয়ে চলেছেন প্রতিবন্ধী ছেলে ও দুই নাতি-নাতনির বোঝা। তাদের নিয়েই ভাঙা টিন আর পলিথিনে ছাওয়া ঘরে বসবাস গীতা মজুমদারের। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই চলে সবার ভরণ-পোষণ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পলিথিনের ছোট্ট ঘরে মাটিতে বসিয়ে দুই নাতিকে খেতে দিয়েছেন গীতা মজুমদার। খাবার বলতে দু’মুঠো ভাত আর কিছু কুড়িয়ে আনা পাতা। এসব খেতে চায় না নাতিরা।

রাগে-দুঃখে গীতা মজুমদার বলেন, বুড়া বয়সে আমার অইছে যত জ্বালা। পোলা পাগল মানু। কোন ফাইলে গেছে ঠিক নাই। ছোডু পোলাপাইনডি হালাইয়া তাগো মা চইলা গেছে। একটা ঘর নাই। খানা নাই। বুড়া বয়সে কোনহানে যামু। কোন ভাতা-টাতা পাই না। একখান ঘর পাই না। একজন ভাতা দিবো বইলা এক হাজার টেহা নিছে। আর খবর নাই।

গীতার প্রতিবেশী মোহাম্মদ শরীফ বলেন, আর কত খারাপ অবস্থায় পড়লে গীতা মজুমদার ভাতা পাবেন? তাদের একটি ঘরেরও খুব প্রয়োজন।

দেবিদ্বারের সুবিল ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের বলেন, নতুন ভাতার কার্ড পেলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবু তাহের বলেন, আমাদের সঙ্গে যোগযোগ করলে তাদের ভাতার ব্যবস্থা করে দেবো।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম মোহাম্মদ বলেন, হতদরিদ্রদের ঘর দেবিদ্বারে আসেনি। নতুন প্রকল্প এলে গীতা মজুমদারের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়