শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৩৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সার্বজনীনতা হারিয়ে বইমেলা এখন আওয়ামী মেলায় পরিণত হয়েছে, বলেন রিজভী

শাহানুজ্জামান টিটু: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, বইমেলাটি আগে ছিল সার্বজনীন।কিন্তু এখন বইমেলার সর্বজনগ্রাহ্য সম্ভ্রম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।বইমেলার বিভিন্ন স্টল আওয়ামীকরণে সজ্জিত করা হয়েছে। বইমেলায় ঢুকলেই মনে হয়-এটি যেন আওয়ামী লীগের কোন কাউন্সিল অধিবেশন। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলে আমানতকারীর যত আমানতই থাকুক না কেনো, মাত্র ১ লক্ষ টাকা বীমার টাকা দেয়া হবে। কি ভয়ংকর অবস্থা! এটাতো রীতিমত রাক্ষসরাজ্যে পরিণত করা হয়েছে দেশকে।

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের এক নেতার নামে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল নামে একটি ব্যাংকের। এই ব্যাংকগুলো করা হচ্ছে জনগণের পকেট কাটার জন্য। অর্থ সম্পদ গচ্ছিত রাখার ব্যাংক এখন রীতিমত আতংকে পরিণত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লোকজন যে যেভাবে পারছে বেপরোয়াভাবে লুটে নিচ্ছে জনগণের অর্থ সম্পদ। দেশের মানুষ ফৌত হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো একটির পর একটি দেউলিয়া করার পর এখন জনগণের পকেট কাটতে সরকার একটির পর একটি নতুন ব্যাংক অনুমোদন দিচ্ছে। ব্যাংকে ব্যাংকে সয়লাব এখন দেশ।

তিনি বলেন, এবছর বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা। অথচ অর্থবছরের ছয় মাসের মধ্যেই সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হয়েছে ৫১ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা বেশি ঋণ নিয়ে ফেলেছে সরকার।

  • সর্বশেষ