শিরোনাম
◈ ক্রিকবাজের দাবি: আপাতত বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া দেয়নি আইসিসি ◈ রাজধানীতে আরেক হত্যাকাণ্ড: কদমতলীতে ভাঙারি ব্যবসায়ী নিহত ◈ ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের প্রার্থিতা: ভোটের মাঠে নতুন হিসাব ◈ পুশইন, হাদি হত্যা ও ভিসা সংকটে টানাপোড়েন: বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াল ◈ কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ ভারতে বসে হাদি হত্যার নির্দেশ: অভিযোগপত্রে উঠে এলো কার কী ভূমিকা ◈ আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ভারত বা‌দে যেখানেই খেলা হোক, প্রস্তুত বাংলাদেশ দল ◈ পোস্টাল ব্যালটে ১৫ লাখ ভোটার, বদলে যেতে পারে নির্বাচনের সমীকরণ ◈ বিদেশি পর্যবেক্ষকদের খরচ বহনের ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত বাতিল চায় টিআইবি

প্রকাশিত : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৩ সকাল
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুজব গুজব বলে মানুষের গলাটিপে ধরলে কেমন বিপর্যয় ঘটতে পারে তা করোনাভাইরাস নিয়ে চীনের ঘটনা থেকে আবারও প্রমাণিত হলো

 

কল্লোল মুস্তফা : গুজব গুজব বলে মানুষের গলাটিপে ধরলে কেমন বিপর্যয় ঘটতে পারে তা করোনাভাইরাস নিয়ে চীনের ঘটনা থেকে আবারও প্রমাণিত হলো। উহানের চিকিৎসকরা নিজেদের চেনা পরিচিত মানুষদের করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সতর্ক করছিলেন বলে চীনের কর্তৃত্ববাদী সরকার তাদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে, থানায় ডেকে নিয়ে গুজব না ছড়ানোর জন্য মুচলেকা আদায় করে। যে আটজন মানুষের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে’ ‘সমাজের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলার’ অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের একজন ডা. লি। তার অপরাধ ছিলো তিনি ৩০ ডিসেম্বর উইচ্যাটে চিকিৎসকদের একটি ফোরামে করোনা সার্স ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে স্থানীয় সিফুড মার্কেট থেকে ৭ জন রোগী ভর্তির খবর দিয়ে তাদের মাস্ক পরাসহ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার সেই পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পুলিশ তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ আনে।

পুলিশের কাছ থেকে হুমকি পাওয়া এ রকম আরেকজন চিকিৎসক জাই লিংকা ৩০ ডিসেম্বর উইচ্যাটে তার সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন : ‘আপনারা নিকট ভবিষ্যতে হুয়ানান সিফুড হোলসেল মার্কেটে যাবেন না। সেখানকার বেশ কিছু মানুষ সার্সের মতো অজানা এক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। আজকে আমাদের হাসপাতালে এই মার্কেট থেকে একাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে। দয়া করে সবাই মনে করে মাস্ক ব্যবহার করবেন’। তাদের এই সতর্কবার্তা প্রচার বিষয়ে ১ জানুয়ারি উহান পুলিশ চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েইবোতে করা এক পোস্টে লিখে ‘ইন্টারনেট আইনের বাইরের কোনো স্থান নয়... গুজব ছড়িয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা ভঙের যেকোনো বেআইনি তৎপরতায় পুলিশ আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করবে, এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না’। অথচ চীনের কর্তৃত্ববাদী সরকার এই সময় চিকিৎসকদের মুখ বন্ধ না করে যদি মানুষ থেকে মানুষে করোনাভাইরাস ছড়ানোর ব্যপারটি দ্রুত স্বীকার করে নিতো এবং নাগরিকদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সময় নষ্ট না করে ভাইরাস ছড়ানো বন্ধের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতো তাহলে হয়তো করোনাভাইরাস এতো বেশি ছড়াতে পারতো না। পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে চীনা সরকার পরে স্বীকার করে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঠিকই কিন্তু ততোদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

বিষয়টি উপলবিদ্ধ করে চীনের সুপ্রিম কোর্ট ২৮ জানুয়ারি এক মন্তব্যে ‘গুজব রটনাকারীদের’ শাস্তি দেওয়ার জন্য উহান পুলিশের সমালোচনা করে : ‘সে সময়ে যদি মানুষকে ওই ‘গুজব’ শুনতে দেওয়া হতো এবং মাস্ক পরা, জীবাণুমুক্ত করা এবং বন্যপ্রাণীর মার্কেটে যাওয়া বন্ধ করার মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতো তাহলে হয়তো তা নতুন করোনাভাইরাস ছড়ানো সীমিত রাখার কাজে লাগতো’। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়