শিরোনাম
◈ পোশাকের পর যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি পণ্য ফুটওয়্যার, এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৫২% ◈ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকায় আসছে ভারতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ◈ ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের রিটে আদেশ মঙ্গলবার ◈ জ্যো‌তি‌কে অ‌ধিনায়ক ক‌রে এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের জন‌্য বাংলা‌দেশ নারী দল ঘোষণা  ◈ জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী ◈ পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন আশার আলো, স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার ◈ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইক‌মিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ ৮৪৫ কোটি টাকায় বার্সেলোনায় রদ্রি ◈ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ চার রুটে লংমার্চ, সর্বাত্মক সফলতার আহ্বান জামায়াতের

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:৫২ সকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৪:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেনেটিক কোডের ভিত্তিতে চলছে টিকা তৈরির চেষ্টা

খালিদ আহমেদ: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (এনআইএইচ) টিকা গবেষকদের নতুন করে গড়া দলটি এই সপ্তাহে শুরুর দিকে সার্স সাদৃশ ভাইরাসের টিকা আবিস্কার করেন। তারা ভাবতেই পারেনি এতো দ্রুতই তারা এটা প্রয়োগ করতে পারবেন। আর সেটি করা হবে চীন ও চীনের বাইরে সার্স সদৃশ যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তা প্রতিরোধে।

এনআইএইচের অ্যালার্জি ও সংক্রামক রোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অ্যান্থনি ফুসি গবেষক দলের অভিষেক অনুষ্ঠানে বলেন, “অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে আপনাদের অভিষেক হচ্ছে”।

জিন সিকোয়েন্সের তিন মাসের মধ্যে মানবদেহে টিকার পরীক্ষামূল ব্যবহার প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে কম সময়ে এ ধরনের টিকা তৈরির ঘটনা এই প্রথম।

ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এ পর্যন্ত (শনিবার ২৫ জানুয়ারি) বিশ্বে ১৩০০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, চীনে মারা গেছে ৪১ জন।

থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত করা হয়েছে।

চীনা বিজ্ঞানীরা দ্রুত নতুন করোনাভাইরাসের জেনেটিক সিকোয়েন্স শনাক্ত করতে সক্ষম হন এবং কয়েকদিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তা প্রকাশ করে। এর ফলে সঠিক পথে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালানোর সুযোগ তৈরি হয়।

জেনেটিক কোড থাকায় ভাইরাসটির নমুনা না পেলেও বিজ্ঞানীরা টিকা তৈরির কাজ শুরু করতে পেরেছেন।

২০০৩ সালে সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপেরেটরি সিনড্রম (সার্স) ছড়িয়ে পড়লে জেনেটিক সিকোয়েন্স থেকে শুরু করে মানবদেহে টিকার পরীক্ষা চালাতে ২০ মাস সময় নেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। এ সময়ের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

এবার এই করোনাভাইরাসের বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সারা বিশ্বের গবেষকেরা টিকা, চিকিৎসা এবং অন্যান্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা পরীক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়