শিরোনাম
◈ সংসদে তুমুল হট্টগোল: ফজলুর রহমানের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা, স্পিকারের হস্তক্ষেপ ◈ সর্তকতা জারির পরদিনই শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে রানওয়েতে ঢুকে গেলেন যুবক! ◈ সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে নারী এশিয়ান গেমস বাছাইয়ের ফাইনালে বাংলাদেশ ◈ চল‌তি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ- আইএমএফের পূর্বাভাসের অর্থ কী? ◈ ‘পুলিশে বড় নিয়োগের ঘোষণা, নতুন করে ১৪ হাজার ৫০০ পদ সৃষ্টি হচ্ছে’ ◈ বাংলাবাজারে বইয়ের দোকানে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট ◈ হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ◈ রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রবেশ ◈ বাণিজ্য চুক্তিতে স্বচ্ছতা আছে, গোপন কিছু নয়: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ সংবাদ প্রকাশের জেরে দলবল নিয়ে দেশ টিভির সাংবাদিককে তুলে নেওয়ার চেষ্টা সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:৩৫ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মৌলভীবাজারে এক বছরে ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি চা উৎপাদন

স্বপন দেব : বাংলাদেশের চা শিল্পের ইতিহাসে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল ২০১৯ সালে । সে বছর মোট চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ কেজি বেশি। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. একে এম রফিকুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিটিবি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে উৎপাদিত চায়ের পরিমাণ ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার কেজি, যা দেশের চা উৎপাদন মৌসুমের (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে, ২০১৬ সালে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ৮ কোটি ৫৫ লাখ কেজি চা পাতা উৎপাদন হয়েছিল।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. মুনির আহমদ বলেন, চা উৎপাদনে সর্বকালের রেকর্ড করলো বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। বিদেশি কোম্পানি, সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ছোটবড় মিলিয়ে বাংলাদেশে ১৬২টি চা বাগান গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৯২টি চা বাগানই মৌলভীবাজারে।

শ্রীমঙ্গল জেমস ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের জিএম ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। ভারত থেকে নিম্নমানের চা চোরাইপথে বাংলাদেশে আসছে। যা অত্যন্ত নিম্নমানের, খাওয়ার অযোগ্য। ভারত থেকে নিম্নমানের চা আমদানি ও চোরাপথে আসা চা-পাতা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশীয় চায়ের মূল্য থাকবে না। আর এদেশের চা শিল্পকে বাচানো যাবে না। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়