শিরোনাম
◈ বাংলা‌দেশ- ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ছে? ◈ বি‌শ্বের সেরা টেস্ট দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: ওয়াসিম আকরাম ◈ বাংলাদেশের চাইতে পাকিস্তান বাজে দল, দাবি দেশটির সাবেক ক্রিকেটার কামরান আকম‌লের ◈ ইবোলা টিকা বাজারে আসতে আরও ৯ মাস লাগতে পারে: ডব্লিউএইচও ◈ কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, খুলনা-উত্তরবঙ্গ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ◈ পাকিস্তান থেকে আসা ২৮ টন বিট লবণ আটকাল চট্টগ্রাম কাস্টমস ◈ আরও দুটি গ্রিন কারখানা, বিশ্বের শীর্ষ ১০০ গ্রিন কারখানার ৫৩টিই বাংলাদেশের ◈ চিকেনস নেকে কৌশলগত তৎপরতা বাড়াচ্ছে ভারত ◈ ৩০ বছর পর ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন অ্যাস্টন ভিলা ◈ গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন চায় বাংলাদেশ, নতুন কাঠামোর ভাবনায় ভারত

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৪৬ রাত
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ০১:৪৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচ্ছিন্ন আইরিশ দ্বীপে দুই জনের বিনা খরচে জীবন যাপনের বিজ্ঞাপন

শাহনাজ বেগম : আইরিশের গ্রেট ব্লাসকেট দ্বীপে চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত দুইজন বন্ধু বা দম্পতি কফি সপ চালাবে এবং তাদের থাকা খাওয়ার সুযোগ সুবিধার কথা জানিয়ে একটি টুইট বার্তায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে অ্যালিস হেইস। তিনি বলেছেন, যারা ছয় মাস প্রায় বিচ্ছিন্ন ওই দ্বীপটিতে বাস করতে চান বা মননশীল জীবন যাত্রাকে গ্রহণ করতে পারবেন তারাই আবেদন করতে পারবেন। কারণ আদিম যুগের মত আগুন, মোমবাতি, চুলা, বন্যজীবন এবং প্রকৃতির সঙ্গে বসবাসের সময়গুলোয় ফিরে যাওয়া। স্যোশাল মিডিয়ায় ওই বিজ্ঞাপনটিতে প্রায় দশ দিনে লাইক পড়েছে ৬,২২৪, কমেন্ট ২,৮৪২টি। ইনডিপেন্ডেন্ট

চার মাইল লম্বা এবং আধা মাইল প্রশস্ত সরকারি হিসেবে প্রায় জনশূন্য ওই দ্বীপটিতে আবাসন ও কফি শপের দীর্ঘদিন পরিচালনা করতে পারে এমন একটি বিজ্ঞাপন পর্যটন বোর্ডকে টুইট করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন দেখে প্রায় শতাধিক আবেদন জমা পড়েছে। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকা ও আলাস্কার মতো অনেক দূরের দেশগুলোরও আকর্ষণ করেছে। দ্বীপটিকে অল্প কয়েকজন পর্যটকের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এতে আবেদনকারীদের চাকরির জন্য কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয়া হয় যেমন, দর্শনার্থীদের স্বাগত, দ্বীপে ছুটি কাটানোর কটেজগুলো পরিচালনা এবং কফি শপ পরিচালনার কাজ করবে। এছাড়াও অন্যান্য কাজের জন্য নির্ধারিত সময়ের জন্য বেতন ধার্য করা হবে।

দক্ষিণ-পশ্চিম আয়ারল্যান্ডের ডিঙ্গল উপদ্বীপের উপক‚লে অবস্থিত এই দ্বীপটি ইউরোপের সবচেয়ে পশ্চিমা বিন্দুতে অবস্থিত। দ্বিপটির বেশিরভাগ এলাকা বসবাসের উপযোগী নয়, তবে উঁচু ঝরনার দৃশ্য নয়নাভিরাম। সেখানে ওয়াইফাই, বিদ্যুৎ বা গরম পানির ব্যবস্থা নেই। এমনকি পানীয় জলের ব্যবস্থা সীমিত। তবে সামান্য বায়ু টারবাইন রয়েছে যা একটি ডিভাইস চার্জ করার জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ তৈরি করে, তাই সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন নন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়