শিরোনাম
◈ মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি, তদন্তের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দ্রুতই আলোচনা: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ! ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪০১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:১১ সকাল
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:১১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিচার করা যাবে, সাংবাদিক পরিচয়ধারী কারও বিচার হতে পারে না? সাংবাদিক-সম্পাদক কী আইনের আওতায় পড়েন না?

 

শেখ আদনান ফাহদ

রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র আবরারকে রাস্তা পার করে বড় কয়েকটি হাসপাতালের যেকোনো একটিতে নিলেই হতো। তা না করে মহাখালীতে একটা প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো কেন? এর কারণ দুটো হতে পারে। প্রথমত, আবরার মারা গেছে এই খবর প্রথমেই দিতে চায়নি প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ। কারণ অনুষ্ঠান চলাকালীন মৃত্যুর খবর জানাজানি হলে লাখ লাখ টাকার লোকসান হতো। একজন আবরারের জীবনের চেয়ে নিশ্চয় প্রথম আলোর আয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, আবরার মারা যায়নি তখনো, পাশের হাসপাতালে নিতে পারলে হয়তো আবরারকে বাঁচানো যেতো। পাশের হাসপাতালে না নিয়ে অনেক দূরে, জ্যামের শহর ঢাকায় মহাখালীর একটা প্রাইভেট হাসপাতালে কেন নিয়ে যাওয়া হলো? যারা ভালো ব্যবসা বোঝে তারা মৃত্যুকেও অর্থ উপার্জনের অবলম্বন করে ফেলতে পারে। বুয়েটের আবরার হত্যাকা-ের পর তার দাদার আহাজারীকে কীভাবে পণ্য বানানো হয়েছিলো মনে আছে? পবিত্র রমজান মাসে কীভাবে আজানকে পণ্য বানায় মিডিয়াগুলো। এখন শুনবেন বিএসআরএম আজান। প্রথম আলোর সঙ্গে সেই প্রাইভেট হাসপাতালের হয়তো চুক্তি আছে। তাদের কেউ অসুস্থ হলে সেখানে যাবে, বড় সেলিব্রিটি হলে তো কথাই নেই। সাধারণ আবরার হলেও চলবে। আবরার যদি ওই হাসপাতালে গিয়ে সুস্থ হয়ে যেতো, তাহলে প্রথম আলো পত্রিকায় হাসপাতালের নাম আসবে, রোগী বাড়বে। এ সবের বিনিময়ে হয়তো প্রথম আলোর লোকজন কম খরচে সেখানে চিকিৎসা পাবে। অন্য কাউকে আমি গালি দেবো না। যে মহান শিক্ষকরা ক্লাসে মিডিয়ার করপোরেট দাসত্বের কথা বলে আমাদের মুগ্ধতা অর্জন করতেন তাদেরই কয়েকজনকে দেখলাম এই করপোরেট হত্যাকা- নিয়ে একদম চুপ। আওয়ামী লীগ বিটের এক সাংবাদিক গত ১০ বছরে এতো কালো টাকা কামিয়েছেন যে আর ব্যাংকে রাখা নিরাপদ মনে করছেন না, তিলোত্তমা ঢাকায় এখন বিশাল বিজ্ঞাপনী অফিস নিয়েছেন। আবার তারই অফিসের এক সাংবাদিক বেতন না পেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। সাংবাদিকদের একটা অংশ সাংবাদিক পরিচয়ে ধান্দাবাজি করে। ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকÑ সবার বিচার করা যাবে, সাংবাদিক পরিচয়ধারী কারও বিচার হবে না, হতে পারে না? সাংবাদিক, সম্পাদক কী আইনের আওতায় পড়ে না? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ