প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা নির্যাতন ও গণহত্যার কারণে মিয়ানমারের প্রতি নিন্দা প্রকাশ করে বিবৃতি দিলেন ড. ইউনুসসহ শান্তিতে ৮ নোবেল বিজয়ী

আসিফুজ্জামান পৃথিল : এই ৮ নোবেলজয়ী, শান্তিতে আরেক নোবেলজয়ী অং সান সু চিকে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানিয়েছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, এসব অপরাধের মধ্যে প্রধানতম হলো মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো গণহত্যা। এই ৭ নোবেলজয়ীর ৩জন গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। বিবৃতির সঙ্গে তারা ১০০ রোহিঙ্গা নারীর গল্পও লিপিবদ্ধ করেছেন।

বিবৃতি দাতারা হলেন, শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানের শিরিন ইবাদি, লাইবেরিয়ার লেমাহ গবোই, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কার্মান, উত্তর আয়ারল্যান্ডের মাইরেড মাগুয়ের, গুয়েতেমালার রিগোবার্টা মেনচ তুম, যুক্তরাষ্ট্রের জোডি উইলিয়ামস, ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী ও বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউন‚স।

সোমবার কিছু আন্তর্জাতিক ও অধিকাংশ স্থানীয় গণমাধ্যম এই বিবৃতির সংবাদ প্রকাশ করলে, তাতে ৭ নোবেলজয়ীর নাম থাকলেও, ড. ইউনুসের নাম ছিলো না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে তুরষ্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদুলু এজেন্সিও ছিলো। কিন্তু বুধবার দ্বিতীয় বিবৃতি প্রকাশের পর আনাদুলুর অনলাইন লিঙ্ক ব্রোকেন অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে কোয়ান্টারার লিঙ্কটি সচল অবস্থায় পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন ৫ নোবেলজয়ী। সেখানেও ড. ইউনুসের নাম ছিলো না। কিন্তু বুধবার দেখা যায়, বিবৃতিতে বাংলাদেশি নোবেলজয়ী ড. ইউনুসের নাম যুক্ত হয়েছে। তবে তাঁর নাম ভুলে বাদ গিয়েছিলো, নাকি পরে যুক্ত হয়েছে, তা বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

বিবৃতিতে গণহত্যার জন্য সু চি ও মিয়ানমারের সেনা কমান্ডারদের জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছেন ওই নোবেলজয়ীরা। বিবৃতিতে তারা বলেন, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হিসেবে আমরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হওয়া গণহত্যাসহ অপরাধগুলো প্রকাশ্যে স্বীকার করার জন্য নোবেলজয়ী অং সান সু চির প্রতি আহ্বান জানাই। আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে, এই নৃশসংসতার নিন্দা জানানোর পরিবর্তে সেটা অস্বীকার করেছেন সুচি। এ প্রসঙ্গে নোবেলজয়ীরা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর ঘটনায় মিয়ানমারকে দায়ী করার জন্য এ পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা গাম্বিয়ার প্রশংসা করছি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শান্তির মানুষ হিসেবে আমরা রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিয়মতান্ত্রিক বৈষম্য মোকাবিলা ও রোহিঙ্গাদের জাতীয়তা, ভ‚মির মালিকানা, আন্দোলনের স্বাধীনতা এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই। আমরা সু চিকে নৈতিক দায়িত্ব পালন এবং তার নজরদারির অধীনে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি ও নিন্দা জানাতে অনুরোধ করছি। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত