প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুই অভিযোগ গঠন

ইত্তেফাক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দু’টি অভিযোগ গঠন করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। গতকাল প্রতিনিধি পরিষদের বিচার বিভাগীয় কমিটির চেয়ারম্যান জেরল্ড নাডলার এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ গঠনের কথা জানান। প্রথম অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং দ্বিতীয়ত তিনি বিচার কাজে বাধা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন। খবর সিএনএন ও রয়টার্সের

যুক্তরাষ্ট্রে চতুর্থ কোনো প্রেসিডেন্ট অভিশংসনের মুখে পড়লেন। তবে সেটি শেষ পর্যন্ত অভিশংসন কার্যকর হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ১৮৬৯ সালে অ্যান্ড্রিউ জনসন, ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটন এবং ১৯৭৪ সালে রিচার্ড নিক্সন অভিশংসনের মুখে পড়েন। তবে নিক্সন অভিশংসিত হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছিলেন বলে সিএনএন জানিয়েছে। বিচার বিভাগীয় কমিটির চেয়ারম্যান জেরল্ড নাডলার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্প দু’টি অপরাধ করেছেন। প্রথমত : তিনি ক্ষমতার অপব্যহার করে নিজের স্বার্থ রক্ষায় দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়েছেন। তিনি ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সুবিধা পেতে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা নির্বাচনে প্রার্থী জো বাইডেনের বিষয়ে তদন্তের জন্য ইউক্রেনকে চাপ দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি সংবিধান লংঘন এবং শপথ ভঙ্গ করেছেন।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ ৪ সেনা কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

নাডলার বলেন, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়ে একটি বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠিত হয়েছিল। ঐ বিচার কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। নাডলার বলেন, প্রেসিডেন্ট নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে মনে করেন। কিন্তু কেউ এমনকি প্রেসিডেন্টও আইনের ঊর্ধ্বে নন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্ত শুরু করেন ডেমোক্র্যাটরা। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ পূর্ণ পরিষদে পাঠানো হবে কিনা সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার ভোটাভুটি হতে পারে। আর আগামী সপ্তাহে অভিযোগ অনুমোদনের বিষয়ে প্রতিনিধি পরিষদে ভোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে এই প্রস্তাব অনুমোদন হবে না বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, ডেমোক্র্যাটরা জানেন যে আমি ইউক্রেনের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করিনি। কিন্তু তারপরও তারা সত্য স্বীকার করছেন না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বারবার বিষয়টি বলেছেন। ট্রাম্প অভিযোগকে হাস্যকর বলে উল্লেখ করেছেন। হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ বলেছেন, এটা আইনগত প্রক্রিয়া নয়, রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত