শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৩ দুপুর
আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধারাবাহিকতা থাকলে বদলে যাবে রেল, বললেন রেলমন্ত্রী

সুজিৎ নন্দী : রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আমরা সব রেলপথ পর্যায়ক্রমে ডাবল লাইন ও ডুয়েল গেজে রূপান্তর করব। তা হলে ট্রেনের গতি বাড়বে। সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চলাচল করে বলে ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ট্রেনের গতিও কম থাকে। তবে সারা দেশে এটা বাস্তবায়ন করতে সময় লাগবে। ডাবল লাইনযুক্ত বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ আগামী জানুয়ারি মাসেই শুরু হবে। তিনি বলেন, টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ডাবল লাইনের কাজও আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হবে। জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী এবং জয়দেবপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত ডাবল লাইন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ডাবল লাইনের কাজ চলছে, যা আগামী বছরের মধ্যে শেষ হবে। একান্ত সাক্ষাতকারে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন একথাগুলো বলেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ঢাকা থেকে টঙ্গী দ‚রত্বের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের এলাকা ও টঙ্গী-জয়দেবপুর ডাবল লাইন নির্মাণের কাজও পরিদর্শন করছি। এটি গুরুত্বপ‚র্ণ প্রকল্প। তিনি আরো বলেন, যুক্তিসংগত ও বাস্তব কিছু কারণে সময়মতো প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায় না। রেলপথের দুই পাশে বাজারসহ নানা অবৈধ স্থাপনা বসানো হয়েছে। এগুলো সরিয়ে দিতে হবে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ও করতে হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গেলে ভ‚মি অধিগ্রহণেরও ঝামেলা থাকে। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। মাঠের কর্মী। তাই এবার নিজের চোখে দেখতে চাই। টেবিলে বসে কাগজে প্রকল্পের অবস্থা দেখার চেয়ে মাঠপর্যায়ে নিজের চোখে দেখতে এসেছি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে একটি ট্রেন পারপারে ২৭ মিনিট সময় লাগে। এ জন্য ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হচ্ছে। সে জন্য যমুনা নদীর ওপর পৃথক একটি রেল সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর অংশে রেললাইন সম্প্রসারণ হলে ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী সুজন বলেন, আমরা ভারত ও চীন সফর করেছি। চীনে রেলের উন্নয়ন হয়েছে ৭০ বছরে। আর প্রতিবেশী ভারতে রেলের ধারাবাহিক উন্নয়ন যদি ১৯৪৭ সাল থেকে ধরা হয়, তা-ও আমাদের চেয়ে তা অনেক বেশি সময়। বাংলাদেশে রেলের ধারাবাহিক উন্নয়নের বয়স কম। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের রেল খাতে যেটুকু উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ রেলওয়ে বদলে যাবে।

আমরা বিভিন্ন রুটে নতুন নতুন ট্রেন চালু করছি। নতুন ইঞ্জিন আসছে, বগি আসছে। ঢাকা-সিলেট রুটের ট্রেন সেবাও বাড়ানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই সেবা বাড়াব। এ জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রেলমন্ত্রী বলেন, চীন ও ভারতে ট্রেনের যে গতি ও সেবা, তা আমাদের এখানেও হবে। এ জন্য প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রক্রিয়ার অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন যেন ঝুলিয়ে রাখা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। দরকার হলে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের আদলে ব্যবস্থা নিতে হবে।

  • সর্বশেষ