প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে জনগণের স্বার্থে ব্যবহারের পরামর্শ ড. ইফতেখারুজ্জামানের

কেএম নাহিদ : এতে আইনি কেনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। যেহেতু অবৈধ সম্পদ সমাজে অসমতা তৈরি করে তাই এই সম্পদ দারিদ্র্য দূর করতে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। সময় টিভি ১২:০০

গেল কয়েকদিনের অভিযানে একের পর এক উদ্ঘাটিত হয়েছে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের ঘটনা। অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন মহড়ায় চোখ ছানাবড়া হওয়ার জোগাড় জনসাধারণের। সমাজের কালো তালিকার মানুষগুলোর অবৈধ সম্পদ অর্জনের আসল রূপ আরো একবার দেখা গিয়েছিল ২০০৬ সাল থেকে ২ বছর স্থায়ী সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। এবারের অভিযানে ক্ষমতার দাপটে দুর্নীতি দুবৃত্তায়নের স্বর্গরাজ্য বানানো এসব কর্মকাণ্ডের বেশিরভাগই ধরা পড়েছে ক্যাসিনো ব্যবসা ঘিরে।

আর চলমান অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে টিআইবি বলছে, শুধু ক্যাসিনো ব্যবসা নয় দুর্নীতি-অনিয়ম আর সন্ত্রাস দমনে সত্যিকারের সুফল পেতে এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে সারাদেশে এবং সব খাতে।

তবে এমন অভিযান শুধু ক্যাসিনো নয়, সমাজের সব স্তরে চালানো উচিত বলে মনে করে দুর্নীতি নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা টিআইবি।

পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে এটা পরিষ্কারভাবে আছে। তিনি বলেছেন শূন্য সহনশীলতা। এরপর বললেন, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এরপর বললেন, ঘর থেকে শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, উৎস অবৈধ হওয়ায় সরকার চাইলে এসব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে পারে। চাইলে তা আইনসিদ্ধভাবেই ব্যবহার করতে পারে জনণের কল্যাণে।

গেল এক দশকে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাফল্য থাকলেও সম্পদের বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। এ বৈষম্যের একটি প্রধান কারণ অবৈধ সম্পদ। তাই অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে সমাজের নিম্নবিত্তদের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

ড. জাইদী সাত্তার বলেন, সরকার এটা বরাদ্দ করতে পারে যেন স্বল্প আয়ের মানুষদের কাছে এই টাকাটা পৌঁছে।

ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মূল্যায়নে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। আর আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফামের বৈষম্য দূরীকরণ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৮তম। সম্পাদনা: রেজাউল আহসান

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত