শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে রেকর্ড পরিমাণে

মুসবা তিন্নি : সৌদি আরবের আরামকো’র দুটি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর ১৯৯১ সালের পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো সোমবার জ্বালানি তেলের দাম সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন বিশ্ববাজারে হু হু করে বেড়ে যাচ্ছিলো তেলের দাম। সৌদি আরব বিশ্ববাজারে শতকরা ৫ ভাগ তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়ার পর সৃষ্টি হয় সঙ্কট। এর ফলে অশোধিত বেন্টের দাম বৃদ্ধি পায় শতকরা ১৯.৫ ভাগ। বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়ায় ৭১.৯৫ ডলার। ১৯৯১ সালের ১৪ই জানুয়ারির পর একদিনে এটাই এই তেলের সর্বোচ্চ দাম। এ ছাড়া ব্যারেল প্রতি ফ্রন্ট-মান্থ কন্ট্রাক্টের দাম ছিল ৬৬.২৮ ডলার। তা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.০৬ ডলার। ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-এর দাম শতকরা ১৫.৫০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৬৩.৩৪ ডলার। ১৯৯৮ সালের ২২ শে জুনের পর এটাই এই তেলের সর্বোচ্চ দাম। এই তেলের ফ্রন্ট-মান্ট কন্ট্রাক প্রতি ব্যারেল ছিল ৫৯.৭৭ ডলার। তা বেড়েছে ৪.৯২ ডলার। মানবজমিন

উল্লেখ্য, বিশ্বে তেল রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় দেশ হলো সৌদি আরব। গত শনিবার এ দেশটির রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সৌদি আরামাকো’র এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র আবকাইক এবং খুরাইসে ড্রোন হামলা চালায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী হুতিরা। এতে ওই দুটি তেলক্ষেত্রেই আগুন ধরে যায়। ভয়াবহ ক্ষতি হয় এর। ফলে ওই দুটি তেলক্ষেত্র থেকে তেল উত্তোলনের মতো অবস্থা আপাতত নেই। ওই দুটি তেলক্ষেত্র চালু করতে কয়েক দিন নয়, বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র। এ জন্য সৌদি আরব দিনে ৫৭ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন কমিয়ে দেয়। মোট যে পরিমাণ তেল সৌদি আরব রপ্তানি করে এই পরিমাণ তার অর্ধেক। তা সত্ত্বেও এই সপ্তাহে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে সৌদি আরব। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়