শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৪০ দুপুর
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খেলা দেখতে না দেয়ায় ইরানী নারীর আত্নহত্যা

স্পোর্টস ডেস্ক : বর্তমানে যেকোনো খেলা জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে পুরুষ কিংবা নারীতে কোনো পার্থক্য নেই। সবার কাছেই খেলা প্রিয়। তাই খেলা দেখার জন্য পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে নারীরাও যায় স্টেডিয়ামে। কিন্তু ইরানে নারীদের ফুটবল ম্যাচ দেখা নিষিদ্ধ। তবু তেহরানের আজাদি স্টেঢিয়ামে চলা ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন ইরানের সাহার খোদায়ারি। নিষিদ্ধ থাকা সত্বেও স্টেডিয়ামে প্রবেশ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেই মামলায় জেল হতে পারে জেনে আদালতের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে পুড়ে মারা যান সেই নারী।

মাঠে গিয়ে অন্য খেলা দেখতে পারলেও ইরানে ফুটবল স্টেডিয়ামে নারীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে। যদিও গত বছর ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে নারীদের ঢুকতে দেয়া হয়েছিলো স্টেডিয়ামে। ইনফান্তিনো ও ফিফার পক্ষ থেকে ইরানকে বহুবার আহবান জানানো হয়েছে, নারীদের ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা যেন তুলে নেয়া হয়।

ইরান কর্তৃপক্ষ অবশ্য এমনটা করেনি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মার্চে আজাদি স্টেডিয়ামে ইস্তেকাল তেহরান ক্লাবের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন খোদায়ারি। পুরুষের বেশেই স্টেডিয়ামে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি, কিন্তু এর আগে পুলিশ তাকে ধরে ফেলে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্টেডিয়ামে ঢোকার অপরাধে তিনদিন তাকে জেলে কাটাতে হয়।

জামিনে জেল থেকে বের হয়ে এলেও মামলা থেকে মুক্তি পাননি খোদায়ারি। ছয় মাস পর মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে! এই কথা শোনার পর আদালতের সামনেই নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেন খোদায়ারি। হাসপাতালে নেয়ার পর গত সোমবার তার মৃত্যু হয়েছে, এমনটা জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। খোদায়ারির বোন অবশ্য জানিয়েছেন, খোদায়ারি আগে থেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়াশুনার সময় একবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি।

এদিকে ইরানের স্টেডিয়ামে নারীদের প্রবেশের অনুমতি দিতে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিলেন ফিফা। আগামী ১০ অক্টোবর আজাদি স্টেডিয়ামে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে কাতার বিশকাপের বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে ইরান। সেই ম্যাচে নারী সমর্থকরা মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।

১৯৮১ সাল থেকে ফুটবল মাঠে নারীদের প্রবেশে এমন নিষেধাজ্ঞা। স্টেডিয়ামে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে খোদায়ারির এমন মৃত্যুতে ক্ষোভ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। ফিফাও অফিশিয়াল এক বিবৃতিতে শোক জানিয়েছে খোদায়ারির মৃত্যুতে। খেলা দেখতে আসা ইরানি নারীদের সুরক্ষা দেয়ার ব্যাপারে আহবান জানানো হয়েছে ফিফার পক্ষ থেকে। নারীদের স্টেডিয়ামে ঢোকার ব্যাপারে এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইরানের ফুটবল দলের অধিনায়ক মাসুদ সোজাই।

  • সর্বশেষ