শিরোনাম
◈ জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’ ◈ নবম পে-স্কেল: দুই ধাপে বেতন বাড়বে, সরকারের বাড়তি ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা ◈ অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রুহুল কবির রিজভী ◈ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বাসভাড়ায় ৫০ টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ◈ দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী ◈ নিউইয়র্কে মুখোমুখি বিএনপি-আওয়ামী লীগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন (ভিডিও) ◈ কুমিল্লায় মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছfড় মেরে হত্যা, ভাবি গুরুতর আহত ◈ ২৩ হাজার মাদক কারবারির কাছে জিম্মি দেশ ◈ আফগানিস্তানে আবার পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ৩ ◈ দাবদাহ মোকাবিলায় বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় শীতলীকরণ প্রযুক্তি, ৪ বছরেই বিনিয়োগ ফেরত!

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:০৯ সকাল
আপডেট : ৩১ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:০৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অর্ধ লক্ষ মানুষের আয়ের পথ তৈরী করেছে শাপলা ফুল

এস এম সাব্বির : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলা বিল অধ্যুষিত এলাকা। বর্ষা মৌসুমে এসব এলাকার বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে তলিয়ে যায়। এ পানিতে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় শাপলা ফুল। বর্ষা মৌসুমে খাল-বিল ও জলাশয় থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন এসব এলাকার প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ।

বর্ষা মৌসুমে কৃষকের তেমন কোন কাজ না থাকায় এলাকার অনেক কৃষক, বেকার ও অন্যান্য পেশার লোক বর্তমানে এ পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ এই শাপলা একদিকে যেমন সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে বর্ষকালে কাজ না থাকা বেকার মানুষের আয়ের পথ তৈরী করে দিচ্ছে।
শাপলা ফুল সাধারণত বর্ষায় ডুবে যাওয়া বোরো ধানক্ষেত, পাটক্ষেত ও আমন ধান ক্ষেতে বেশি জন্মায়। শাপলা শুধু জাতীয় ফুলই নয়, নানা অঞ্চলের মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও বেশ জনপ্রিয়।

বিলগুলোতে খুব ভোরে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষেরা নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা সংগ্রহ করে। কোন পুঁজির প্রয়োজন হয় না বলে এ পেশা বেশ লাভজনক।
শাপলা বিক্রিকে কেন্দ্র করে কাশিয়ানী উপজেলার রাহুথড়ে পাইকারী বাজার গড়ে উঠেছে। ভোরের আলো ফুটতেই এ বাজারে আশপাশের গ্রামসহ প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শাপলা সংগ্রহকারীরা জড়ো হন। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে মুখরিত হয় এ বাজার। শাপলা ফুলের সাদা আভায় আচ্ছাদিত হয়ে যায় সড়কে বসা পুরো বাজার। পাইকাররা এসব শাপলা কিনে জেলা সদরসহ পাশর্^বর্তী যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও লোহাগড়ায় বিক্রি করে থাকেন।
শাপলার পাইকারি আড়তের ইজারাদার সংকর কুমার বসু বলেন, প্রতিদিন সকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ পাইকারী বিক্রির জন্য এখানে নিয়ে আসে শাপলা। পাইকারীররা এসব শাপলা কিনে ভ্যান, ইজিবাইক ও নছিমন করে গোপালগঞ্জ সদরসহ যশোর, খুলনা, আলফাডাঙ্গা ও ভাটিয়াপাড়া নিয়ে বিক্রি করে। প্রতিদিন প্রায় ৩০/৪০ গাড়ী শাপলা এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যায়।

শাপলা সংগ্রহকারী হীরা বিশ্বাস বলেন, আমি দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বর্ষাকালে শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় ৮/৯ শ’ টাকার শাপলা সংগ্রহ করতে পারি। ভোরে বাজারে পাইকারী বিক্রি করে দেই।

  • সর্বশেষ