শিরোনাম
◈ সাজেক দখলে মরিয়া দুই পক্ষ, বিপাকে পর্যটন ব্যবসায়ীরা ◈ ২০২৭ সালের জুনে চালু হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রথম স্যুয়ারেজ প্রকল্প, উপকৃত হবে ২০ লাখ মানুষ ◈ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভুলে ২০ লাখ পাঠ্যবই সংশোধনের উদ্যোগ, বাড়ছে ব্যয়ের শঙ্কা ◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:২৪ সকাল
আপডেট : ২৭ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা ইস্যু তাড়াতাড়ি সমাধান না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় চলে যাবে, বললেন অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ

হ্যাপি আক্তার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ'-এর অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমার তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। যে কারণে গত দুই বছরে মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নানা নাটক করছে।বিবিসি বাংলা ৭:৩০

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা বিভাবে দূর করা যায়, সে বিষয়ে ঢাকায় মঙ্গলবার একটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশিত হবে। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কাজ করেছেন বিশে^র এমন দুজন গেবেষকের লেখা সম্মিলিত এই গবেষণা গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাড়াও বইটির প্রকাশক হিসেবে ব্রাক বিশ^বিদ্যালয় ও ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা একশন এইড।

ইমতিয়াজন আহমেদ বলেন, দুজন লেখক বইটিতে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিভিন্নভাবে তুলে ধরেছেন কিভাবে সমস্যার সমাধান করা হবে। বইটিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে মিয়ানমারের আইন আইন পরিবর্তনের বিষয়ে। কারণ রোহিঙ্গাদের আইনের মাধ্যমে তাদের মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। সেই আইনের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি গত দুই বছরে। মিয়ানমারের প্রথম কাজ হলো আইন পরিবর্তন করা, নয়তো নতুন আইন আনতে হবে।

বন্ধু রাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দেয়ার বিষয়ে রোহিঙ্গাদের সাথে থাকে, তাহলে এই জনগোষ্ঠী মনে করবে একটি মৌলিক পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, আইন ও নিরাপত্তা এই দুই জায়গায় যতো দিন না পরিবর্তন আসবে, ততো দিন রোহিঙ্গারা নিরাপদ বোধ করবে না এবং তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চাইবে না। তাছাড়া, রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে শঙ্কা করা হচ্ছে, সেগুলো যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব সমাধান করতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় চলে যাবে।

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গারা যে শুধু বাংলাদেশে আছে তা নয়। বিশ্বের ১৯টি দেশে রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সবগুলো দেশ একত্র হয়ে যদি কথা বলে, তাহলে চীনও হয়তো বুঝবে যে তাদের নিজের স্বার্থের জন্যই রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিকীরণ যতো বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশ্বে সব জায়গা থেকে চাপ আসবে মিয়ানমার তখন বুঝতে পারবে রোহিঙ্গা ইস্যুর সমাধান করা প্রয়োজন। সম্পাদনা : রাজু আহ্সান/রাশিদুল

  • সর্বশেষ