শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়ার হালাল মেলায় বড় সাফল্য, ২০ লাখ ডলারের অর্ডার পেল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে চীনের ‘না’, ঝুলে আছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ◈ মুক্তিপণ থেকে প্রতিশোধ, নানামুখী কারণে বাড়ছে অপহরণ ◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ কনটেইনার ডেলিভারি

প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০১৯, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাষা সমস্যা হলে দোভাষীর সাহায্য নিবেন ল্যাঙ্গাভেল্ট

শিউলী আক্তার : ভাষাজনিত সমস্যার কারণেই বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সম্পর্কটা ভালো হয়নি সাবেক পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের। যার জন্য তার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বাংলাদেশের স্থানীয় বোলাররা তাদের ভাষা বুজতে সমস্যা যার কারণে ঠিকভাবে প্রশিক্ষণটা নিতে পারে না। সেই জন্য উপমহাদেশের সঙ্গে কাজ করেছে এমন কোচই চেয়েছিলো বিসিবি। সেই বিবেচনায়ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টকে পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। গতকাল টাইগারদের দায়িত্ব নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে কথাও বললেন। সেই সময় প্রশ্ন উঠেছে ভাষা নিয়ে কোনো সমস্যা হবে কিনা। আশা করেন সমস্যা হবে না। তবে হলে দোভাষীর সাহয্য নিবেন তিনি।

ল্যাঙ্গাভেল্ট এর আগে আফগানিস্তানের কোচ ছিলেন। ফলে উপমাহদেশের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার। তাই সমস্যা হবে বলে মনে করেন না তিনি। ল্যাঙ্গাভেল্ট বলেন, ‘আফগানিস্তানে কোচ থাকাকালীনও ভাষা একটি সমস্যা ছিলো। তবে আমার মনে হয় ভাষা তখনই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না, যখন আমার এবং বোলারদের মধ্যে দারুণ একটা সম্পর্ক তৈরি হবে। একসঙ্গে কাজ করার জন্য দুই পক্ষের মধ্যে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বোলারদের সঙ্গে আন্তরিক একটা সম্পর্ক সৃষ্টি হলে, তারাও আমার ভাষা বুঝবে এবং আমিও তাদের সমস্যা বুঝতে পারবো। এরপরও সমস্যা হলে দোভাষীর সাহায্য নেয়া যাবে।’

এছাড়া জানালে বোলারদের নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, ‘এই উপমহাদেশে উইকেট গুলো স্পিন সহায়ক হয়ে থাকে। সেই দিক দিয়ে এখানে কাজ করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। নতুন বলে বল করাটাও কঠিন। বোলিংয়ের টেকনিক্যাল দিক গুলো জানতে হয়। ৫০ ওভারের ক্রিকেট বলুন আর টেস্ট ক্রিকেট বলুন নতুন বলে বল করাটা গুরুত্বপূর্ণ। পেস বোলিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে বল করা। এগুলো নিয়েই আগে কাজ করবো।’
সম্পাদনা : সুতীর্থ

  • সর্বশেষ