হ্যাপি আক্তার : অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ইন্টারনেট প্রটোকল ক্যামেরার আওতায় এসেছে সিলেট মহানগরী। দেশে এই প্রথম কোনো এলাকায় বসানো হচ্ছে এ প্রযুক্তি। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ৮:৩০
এই ক্যামেরার বিশেষত্ব হলো, তালিকাভুক্ত অপরাধী শনাক্ত ও তার অবস্থান চিহ্নিত করা যাবে খুব সহজেই। এতে নগরীর অপরাধ কর্মকাণ্ড কমবে বলে আশা পুলিশের।
নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘ডিজিটাল সিটি’ প্রকল্পের আওতায় সিলেট মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে ১১০টি হাই রেজ্যুলেশন ইন্টারনেট প্রটোকল বা আই-পি ক্যামেরা।
অত্যাধুনিক এ ক্যামেরায় আছে ফেইস রিকগনিশন ফিচার, যার মাধ্যমে চিহ্নিত অপরাধী ক্যামেরার আওতায় এলেই সংকেতের মাধ্যমে তার অবস্থানের তথ্য যাবে পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে।
ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্পের উপপরিচালক মধুসদন চন্দ্র বলেন, সন্দেহভাজন কোনো ব্যাক্তিবর্গের তথ্য যদি এই ডেটা বেজে সংরক্ষণ করা থাকে তাহলে ক্যামেরার আওয়াতয় যদি অই ব্যক্তি চলে আসে তাহলে ক্যামেরাগুলো তাকে শনাক্ত করবে।
এই আইপি ক্যামেরায় আছে ‘অটো নাম্বার প্লেট রিকগনিশন’ নামের আরেকটি ফিচার। এর মাধ্যমে যেকোনো যানবাহনের গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করতে পারবে বলে জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পরিতোষ ঘোষ। তিনি বলেন, শুধু অপরাধ নিয়ন্ত্রণই নয়, নগরীর যানজট নিরসনেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সিলেট কোতোয়ালী থানায় তৈরি করা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এছাড়াও থাকছে একদল দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে আইপি ক্যামেরার কার্যক্রম। সম্পাদনা : রাজু আহ্সান/মঈন