শিরোনাম
◈ খাদ্যশস্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ◈ অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর ও জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ লালমনিরহাটের সীমান্তে বিজিবির থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোনে ধরা পড়ল বাঘ (ভিডিও) ◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর ◈ আপনারা পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করিয়েন না, নিজেরাও ব্ল্যাকমেইল হইয়েন না: আইজিপি (ভিডিও) ◈ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন: প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি ◈ অতিরিক্ত আহরণ ও দূষণে চাপে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, পাঁচ বছরে কমেছে মাছ ধরা ১৬.৫৭ শতাংশ ◈ ২ হাজার কোটি টাকার হাতিরঝিলে অসহনীয় দুর্গন্ধ, দূষণ নিয়ে রাজউক-ওয়াসার পাল্টাপাল্টি দোষারোপ ◈ হুমকি দিয়ে ইরানে হামলা থেকে আবারও পিছু হটলেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচনের আগে এআই দিয়ে পরমাণু বিস্ফোরণের ছবি পোস্ট, নেতানিয়াহুকে ঘিরে বিতর্ক

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০১৯, ১২:১৬ দুপুর
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০১৯, ১২:১৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শ্রীমঙ্গলে শ্রেণিকক্ষ সংকট, মাটিতে পাঠদান

স্বপন দেব : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জাতীয়করণকৃত ১২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি বিদ্যালয় জাগছড়া চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সঙ্কট থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় স্কুলের পাশে চা বাগানের হাসপাতালের একটি রুমে চালানো হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। তাছাড়া বিদ্যালয়ে নেই কোনো বসার ব্যবস্থা, নেই নিরাপদ খাবার পানি, উন্নত স্যানিটেশন ও অবকাঠামো ব্যবস্থা।

জানা গেছে, এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১৪ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়নি। দোচালা টিনের ঘরের মাত্র দুটি শ্রেণি কক্ষে ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে দুই শিফটে কোনরকমে পাঠদান করা হচ্ছে। এদিকে প্রয়োজনের তুলনায় চেয়ার, টেবিল ও বেঞ্চ কিছুই নেই বিদ্যালয়টিতে। ছাত্র ছাত্রীদের মাটিতে বসে ক্লাস করতে হচ্ছে। স্কুলের বাহিরে টেবিল বসিয়ে অফিস বানিয়ে কোন রকমে প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষক তাদের দাফতরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সকালের শিফটে দুটি কক্ষে ১ম ও ২য় শ্রেণির পাঠদান এবং বিকেলের শিফটে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম চালায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায, বিদ্যালয়টির ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কক্ষের মেঝেতে বসে ক্লাস করছে। ওই শ্রেণিতে ক্লাস করাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকা সালমা আক্তার। তিনি বলেন, গরমের মধ্যে ক্লাস করতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। ছাত্র ছাত্রীরা গাদাগাদি করে মাটিত বসেছে। তাতে তাদের লেখাপড়ার সমস্যা হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাখি, রঞ্জিতা, রবি দাস, তানজিলা, রিত্তিক, সুমনসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা জানায়, আমরা ভালোভাবে ক্লাস করতে পারছি না। মাটিতে বসে আমাদের ক্লাস করতে হয়। তাতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম তালুকদার জানান, এই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা অবগত আছেন। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে। সম্পাদনা : মিঠুন মুনশি

  • সর্বশেষ