শিরোনাম
◈ গাজীপুরে সুপ্রিম গার্মেন্টসের কার্টন গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট ◈ যে কারণে বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসা, জানাল দূতাবাস ◈ ইতালিসহ ইউরোপে চাকরির সুযোগ: বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ পাবেন ৩ হাজার বাংলাদেশি, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই, বদলাবে শিখনপদ্ধতি ◈ লন্ডন হাইকমিশন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ভিসা সার্ভার নিয়ে সতর্কবার্তা ◈ পঞ্চগড়ে এক টাকায় চারটি লাউ, ২ টাকায় ১ কেজি পেঁপে; উৎপাদন খরচ না পেয়ে গাছ কাটছেন কৃষক ◈ উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালমাই পাহাড় কাটা, হুমকিতে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও জীববৈচিত্র্য ◈ দেশে গ্যাস উৎপাদনে বড় ধস, এক বছরে কমেছে ৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট: এলএনজি আমদানিনির্ভরতা বাড়ার শঙ্কা ◈ আ‌মে‌রিকা হামলা কর‌লে উপসাগরজুড়ে পাল্টা আঘাতের পরিধি বাড়াবে ইরান: ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতি‌বেদন ◈ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষায় ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:১৯ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:১৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা পূর্ণতা পায়নি

আমিনুর রহমান তাজ, ফেসবুক থেকে : পত্রিকা, টেলিভিশন অনলাইন পোর্টাল মিলিয়ে দেশে এখন শত শত মিডিয়া। অধিকাংশ মিডিয়ায় নিয়োগপত্র বেতন নেই। তা সত্বেও এই পেশায় প্রতিদিন নাম লেখাচ্ছে অনেক তরুন-তরুনীরা। কি আকর্ষনে তারা মিডিয়ায় আসে তা বোধে আসে না।

এমনও নাম সর্বস্ব মিডিয়া রয়েছে যাদের নিয়োগপত্র বেতন কোনটারই বালাই নেই।আইডেন্টি কার্ডই যথেষ্ট। এই পেশার নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে একদল অপরাধী চক্র যারা প্রায়শই আটক হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে। এটাও সাংবাদিকতার সুনাম ক্ষুন্নের অন্যতম কারন বলে অনুমিত হয়।

মিডিয়া হাউজগুলোতে কর্মরত অনেক সাংবাদিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আছে সংবাদের মান নিয়েও। হাতে গোনা দুই চারটি মিডিয়ার কথা বাদ দিলে বেশিরভাগই অসার।

অন্যদিকে সাংবাদিকদের জন্য যে ওয়েজ বোর্ডের কথা বলা হয় তা কার্যত কাগজ -কলমে। সীমিত মিডিয়ায় ওয়েজ বোর্ড কার্যকর হয়। তাও সীমিত আকারেই। প্রায়শই বেতন আদায়ের জন্য সাংবাদিক নেতাদের লম্ফজম্প করতে হয় বেতন আটকে যাওয়া হাউজগুলোতে।

এদেশে যারা বড় বড় মিডিয়ার কর্ণধার তারা মূলত ব্যবসায়ী। ব্যবসার সেফগার্ড হিসেবেই তারা মিডিয়া হাউজ খুলে বসেন বলে ধারণা করা হয়। ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রয়োজনে তারা অনেক সময় সাংবাদিকদের ব্যবহার করে থাকেন।

সংবাদকর্মীদের মধ্যেও অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। মাঝেমধ্যে দলাদলি গ্রুপিংও পরিলক্ষিত হয় মিডিয়া হাউজগুলোতে। বিভক্তি আছে ইউনিয়ন গুলোতেও। রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যটাই প্রধান।

মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন নিয়েও আছে সীমাহীন দূর্ণীতি। আছে প্রচার সংখ্যা নিয়েও কারিশমা। নামসর্বস্ব পত্রিকাগুলো এক্ষেত্রে মোষ্ট বেনিফিশিয়ারি। এগুলো দেখা বা বলার কেউ নেই।

যখন প্রযুক্তি ছিলো না তখন মিডিয়ার একটা মান ছিলো। ছিলো না এতোটা দলাদলি ও কোন্দল। প্রযুক্তির যখন বিকাশ ঘটলো তখন সাংবাদিকতার মান তলানিতে। এটা যখন ভাবনায় আসে তখন মনে মনে ধিক্কার দেই নিজেকে।

  • সর্বশেষ