শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০১৯, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০১৯, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনডিএ সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ ২০২২ নাগাদ কৃষকের আয় দ্বিগুন করা

আসিফুজ্জামান পৃথিল : টানা দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদীর সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। মোদী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুন করবেন। কার্যত অতি কঠিন কাজটিই তাকে এখন করতে হবে। দ্য ওয়্যার।

মোদীর ক্ষমতার প্রথম ৫ বছর ভারতে বড় ধরণের কৃষক বিক্ষোভ হয়েছে। নায্য মূল্য না পেয়ে কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। এসময় কৃষক একক চেষ্টায় ফসলের বাম্পার ফলন করেছেন। কিন্তু নায্য মূল্য পাননি। লোকসান দিতে দিতে কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। সরকার মূল্যস্ফিতি আর কৃষিপণ্যের দাম কম রাখতে পেরেছে। কিন্তু এতে কৃষকের কোন লাভই হয়নি। এরমধ্যে নাসিক থেকে মুম্বাই এর একটি কৃষক র‌্যালি এনডিএ সরকারের ভিত পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো। এরপরই মোদী ঘোষণা দেন ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকের আয় দ্বিগুণ হবে। তবে কৃষক এই ঘোষণায় আস্বস্ত হননি। যদি গ্রামীন অঞ্চলে মোদী ভোট পেয়েছেন, তবুও বন্ধ হয়নি কৃষকদের প্রতিবাদ। অনেক বিশ্লেষকরাই বলছেন, মোদীর প্রতিশ্রুতিতে আস্বস্ত হয়ে নয়, কৃষকরা তাকে ভোট দিয়েছেন ধর্মীয় উন্মাদনা থেকে।

মোদীর জন্য নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা কঠিন। কারণ এজন্য তাকে মধ্যসত্বভোগী, ব্যবসায়ী এবং পুঁজিপতিদের স্বার্থে ঘা দিতে হবে। মোদী এটি করতে চাইবেন না। তারণ এরা মোদীর বড় ধরণের ভোট ব্যাংক। শুধু ভোট ব্যাংকই নন, কৃষকের ভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়েও এরা যথেষ্ট ভূমিকা রাখেন। অভিযোগে রয়েছে, এই ব্যক্তিরা কৃষককে ভোট দিতে বাধ্যও করেন নির্দিষ্ট প্রতীকে। তাই মোদী বা বিজেপি চাইবে না এদের স্বার্থে আঘাত হানতে। তাই বলা যায়, মোদী এমন এক প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন, যা তার জন্য রক্ষা করা অতি কঠিন।

  • সর্বশেষ